পবিত্র সত্তা হওয়া সত্ত্বেও কেন হুজুর সাঃ এর ওপেন হার্ট সার্জারী বা সিনা চাক করা হলো?

জনাব ! আমাদের আকীদা মতে রাসুল সাঃ মাসুম ছিলেন।সুতরাং তাঁর সিনা পবিত্রও ছিল।তবুও কেন সিনাচাক করা হলো? দয়া করে জানাবেন। ইতিঃ খাদীজা খাতুন।

উত্তরঃঃ

যারা বলে, ‘সিনা চাক করে হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ভিতর থেকে খারাপ জিনিস ফেলে দেয়া হয়েছে’ তাদের এ বক্তব্য কুফরীর অন্তর্ভুক্ত।

সিনা চাক/বক্ষ বিদীর্ণ করার কারণ

ছহীহ ও বিশুদ্ধ মতে, আখেরী রসূল, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সিনা চাক করা হয়েছিলো চার বার।
প্রথমবার তিনি স্বীয় দুধ মা হযরত হালিমা সা’দিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা-এর লালন-পালনে, তখন তাঁর বয়স তিন থেকে পাঁচ বছর ছিলো।
দ্বিতীয়বার দশ থেকে চৌদ্দ বছর বয়সে।
তৃতীয়বার আনুষ্ঠানিকভাবে নবুওয়াত ঘোষণার সময় হেরা গুহায় এবং
চতুর্থবার মি’রাজ-এর রাতে কাবা শরীফ-এ।
আল্লাহ পাক কুরআন শরীফ-এ ইরশাদ করেছেন,
الم نشرح لك صدرك
“আমি কি আপনার বক্ষ মুবারক প্রশস্ত (চাক) করিনি? অর্থাৎ আপনার বক্ষ (সিনা) মুবারক চাক করেছি। (সূরা আলাম নাশরাহ- ১)

বদ আক্বীদা ও বাতিল ফিরক্বার লোকেরা বলে থাকে যে, “হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর প্রথমবার সিনা মুবারক চাকের সময়, উনার ভিতর থেকে ক্বলব বের করে তা ফেড়ে শয়তানের অংশ বের করে ফেলে দিয়ে ক্বলবকে পবিত্র করা হয়েছিলো।” (নাঊযুবিল্লাহ)

তাদের এ বক্তব্য অজ্ঞতাসূচক এবং হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর প্রতি ইহানতসূচক যা কুফরীর অন্তর্ভুক্ত। কেননা, কুরআন, হাদীছ, ইজমা ও ক্বিয়াস তথা আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াতের আক্বীদা মতে, নবী-রসূল আলাইহিমুস্‌ সালামগণ সমস্ত প্রকার খারাপ বিষয় এবং অপবিত্রতা থেকে সম্পূর্ণরূপে পুতঃপবিত্র। এমনকি পবিত্র থেকে পবিত্রতম। কিন্তু কিছু অবুঝ লোকেরা হাদীছ শরীফ-এর সঠিক অর্থ ও ব্যাখ্যা অনুধাবন করতে ব্যর্থ হওয়ার কারণেই এ সম্পর্কে কুফরীমূলক বক্তব্য প্রদান করে থাকে।

‘মুসলিম শরীফ, মিশকাত শরীফ, মুছান্নিফ ইবনে আবী শাইবাহ’ ইত্যাদি কিতাবে বর্ণিত আছে,
حَدَّثَنَا شَيْبَانُ بْنُ فَرُّوخَ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، حَدَّثَنَا ثَابِتٌ الْبُنَانِيُّ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَتَاهُ جِبْرِيلُ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ يَلْعَبُ مَعَ الْغِلْمَانِ فَأَخَذَهُ فَصَرَعَهُ فَشَقَّ عَنْ قَلْبِهِ فَاسْتَخْرَجَ الْقَلْبَ فَاسْتَخْرَجَ مِنْهُ عَلَقَةً فَقَالَ هَذَا حَظُّ الشَّيْطَانِ مِنْكَ ‏.‏ ثُمَّ غَسَلَهُ فِي طَسْتٍ مِنْ ذَهَبٍ بِمَاءِ زَمْزَمَ ثُمَّ لأَمَهُ ثُمَّ أَعَادَهُ فِي مَكَانِهِ وَجَاءَ الْغِلْمَانُ يَسْعَوْنَ إِلَى أُمِّهِ – يَعْنِي ظِئْرَهُ – فَقَالُوا إِنَّ مُحَمَّدًا قَدْ قُتِلَ ‏.‏ فَاسْتَقْبَلُوهُ وَهُوَ مُنْتَقَعُ اللَّوْنِ ‏.‏ قَالَ أَنَسٌ وَقَدْ كُنْتُ أَرَى أَثَرَ ذَلِكَ الْمِخْيَطِ فِي صَدْرِهِ ‏.‏
“হযরত আনাস বিন মালিক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা হযরত জিবরীল আলাইহিস্‌ সালাম হযরত রসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট এমন অবস্থায় আসলেন যে, যখন তিনি বালকদের সাথে খেলাধুলা করছিলেন। তিনি (হযরত জিবরীল আলাইহিস্‌ সালাম) তাহাকে ধরলেন এবং মাটিতে চিৎ করে শোয়ালেন। অতঃপর সিনা ফেড়ে ক্বলব বের করে উহার মধ্য থেকে একখণ্ড রক্তের দলা/গোশতের টুকরা বের করলেন। অতঃপর হযরত জিবরীল আলাইহিস্‌ সালাম বললেন, “এটা শয়তানের অংশ আপনার ভিতর অর্থাৎ শয়তানের ওয়াস্‌ওয়াসা দেয়ার স্থান, এরপর হযরত জিবরীল আলাইহিস্‌ ওয়া সাল্লাম সেটা স্বর্ণের পাত্রে যমযমের পানি দ্বারা ধুলেন। তারপর উহার অংশগুলো একত্রিত করে যথাস্থানে রেখে দিলেন। এ অবস্থা দেখে অন্যান্য বালকরা হুজুর সাঃ এর দুধ মা-এর নিকট বললেন, নিশ্চয়ই মুহাম্মাদ সাঃ কে হত্যা করা হয়েছে। অতঃপর তাহারা সকলে এসে হুজুর সাঃ কে উৎকৃষ্ট বর্ণে দেখতে পেলেন। হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বলেন, আমি (পরবর্তীতে) হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সিনা মুবারকের সিলাইয়ের চিহ্ন দেখেছি।” (মুসলিম ৩১০,ইঃফাঃ)

কিন্তু কিছু লোক উক্ত হাদীছ-এর শাব্দিক অর্থ গ্রহণ করে বলে থাকে যে, “হে আল্লাহ পাক-এর রসূল! এ অংশটি আপনার মধ্যে শয়তানের অংশ।” (নাঊযুবিল্লাহ)

এখানে শাব্দিক অর্থ গ্রহণ করা যাবে না বরং তা’বীলী তথা ব্যাখ্যামূলক অর্থ গ্রহণ করতে হবে। কারণ, যে সকল শব্দের সরাসরি অর্থ করলে আল্লাহ পাক ও তাঁর হুযূর ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর শানের খিলাফ হয়, সে সকল শব্দের সরাসরি অর্থ করা যাবেনা । বরং সেক্ষেত্রে তা’বীলী বা ব্যাখ্যামূলক অর্থ করতে হবে। সকল ইমাম-মুজতাহিদগণ এরূপ প্রতিটি ক্ষেত্রেই তা’বীলী বা ব্যাখ্যামূলক অর্থ গ্রহণ করেছেন।

যেমনঃ কেউ যদি সূরা বাক্বারা’-এর ৫৪ নম্বর আয়াত উল্লেখ করে এ আয়াতের শাব্দিক বা সরাসরি অর্থ করে, “আর কাফিরেরা ধোঁকাবাজী করলো, আল্লাহ পাকও ধোঁকাবাজী করলেন, আর আল্লাহ পাক হচ্ছেন উত্তম ধোঁকাবাজ।” (নাঊযুবিল্লাহ)এরূপ অর্থ যে কুফরীর অন্তর্ভুক্ত, এ ব্যাপারে কারোই কোনরূপ দ্বিমত নেই। কারণ, আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াতের আক্বীদা মতে মহান আল্লাহ পাক ‘মকর’ বা ‘ধোঁকাবাজী’ হতে সম্পূর্ণই পবিত্র। অথচ দুনিয়ার সকল লুগাত বা অভিধানসমূহেই ‘মকর’ শব্দের অর্থ- ‘ধোঁকাবাজ’ বলে উল্লেখ আছে।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে, কাফিরদের ন্যায় মহান আল্লাহ পাক-এর শান মুবারকেও ‘মকর’ শব্দের উক্ত অর্থ গ্রহণ করা জায়িয হবে কি? মূলতঃ তা কস্মিনকালেও জায়িয হবে না। কারণ, তা মহান আল্লাহ পাক-এর শান ও ছহীহ আক্বীদার সম্পূর্ণই খিলাফ।

তাই উক্ত আয়াত শরীফ-এর তা’বীলী অর্থ করতে হবে। আর তা হলো- “আর কাফিরেরা ধোঁকাবাজী করলো, আল্লাহ পাক তাদের ধোকা প্রতিহত করলেন, আর আল্লাহ পাকই হচ্ছেন উত্তম হিকমত/কৌশল ওয়ালা।”

তাই উল্লিখিত আয়াতের তা’বীলী অর্থের মতই আমাদের আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াতের ইমামগণের মতে উক্ত হাদীসের সঠিক ও তা’বীলী অর্থ হলো, “এটা শয়তান ওয়াস্‌ওয়াসা দেয়ার স্থান, যা আপনার জন্য নয়। কারণ, আপনি শয়তানী ওয়াস্‌ওয়াসা থেকে সম্পূর্ণরূপে মাহফুয। আপনার উম্মতের এই স্থানে শয়তান ওয়াস্‌ওয়াসা দিয়ে থাকে।”
আল্লাহ পাকের নির্দেশ অমান্য করে চরম বেয়াদবীর কারণে ইবলিস যখন কাফির, মালউন ও শয়তান হয়ে গেলো, তখন সে আল্লাহ পাককে বলেছিলো, আমি আপনার বান্দাদেরকে বিভিন্নভাবে পথভ্রষ্ট করবো, কিন্তু যাঁরা আপনার মুখলিছ, একনিষ্ঠ, মাহবুব বান্দা তাঁদেরকে গুমরাহ করতে পারবো না।

কুরআন শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে,
إِلَّا عِبَادَكَ مِنْهُمُ الْمُخْلَصِينَ
“যারা আপনার মুখলিছ, একনিষ্ঠ বান্দা, তাঁদেরকে আমি পথভ্রষ্ট করতে পারবো না।” (সূরা হিজর-৪০)
এ আয়াত এর তাফসীরে মুফাসসিরগণ বলেনঃ “কিন্তু যারা আপনার মুখলিছ বান্দা তাঁদেরকে আমি পথভ্রষ্ট করতে পারবো না।” অর্থাৎ মু’মিন-মুসলমানগণের মধ্যে যারা তাওহীদ ও রিসালত সম্পর্কে আক্বীদা শুদ্ধ করবে, সঠিকভাবে শরীয়তের ইত্তিবা করবে এবং ইবাদত-বন্দেগী ইখলাছের সাথে একমাত্র আপনার জন্য করবে আমি তাঁদেরকে ওয়াস্‌ওয়াসা দিয়ে পথভ্রষ্ট করতে পারবো না।

উপরোক্ত আয়াত এবং তার তাফসীর বা ব্যাখ্যা দ্বারা প্রমাণিত হলো যে, যাঁরা মুখলিছ বান্দা, শয়তান তাঁদেরকে ওয়াস্‌ওয়াসা দিতে পারবে না এবং গুমরাহ করতে পারবে না।

তাহলে যাঁরা নবী-রসূল এবং বিশেষভাবে যিনি নবী ও রসূলগণের সাইয়্যিদ, আখেরী রসূল, মুহাম্মাদ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর মধ্যে কিভাবে শয়তানের অংশ বা ওয়াস্‌ওয়াসা থাকতে পারে। কারণ, তিনি তো পরিপূর্ণভাবে ওহী দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। অতএব, হাদীছ শরীফ-এর উক্ত অংশের তা’বীলী বা ব্যাখ্যামূলক অর্থ করতে হবে। সরাসরি অর্থ করলে কুফরী হবে।

মুলকথা হলো, আল্লাহ পাক-এর হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর ভিতর থেকে শয়তানের অংশ বা হিংসা-বিদ্বেষ বের করা হয় নাই। কেননা তিনি তো আল্লাহ পাক প্রদত্ত গুণে গুণান্বিত বা আল্লাহ পাক প্রদত্ত উত্তম চরিত্রে চরিত্রবান। কাজেই আল্লাহ পাক-এর হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-র ভিতরে শয়তানের অংশ থাকার প্রশ্নই উঠে না। অতএব, উনার ভিতর নাপাক কিছু কল্পনা করাও কুফরী।
হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-র ভিতর থেকে সিনা চাকের সময় নাপাক কিছু বের করা হয়নি। বরং পবিত্রস্থানটি বের করে উম্মতের মহান আদর্শ হিসেবে উম্মতের শিক্ষার জন্য চিহ্নিত করা হয়েছে।

বিশেষভাবে স্মরণীয় যে, আল্লাহ পাক-এর হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর মাথার তালু মুবারক থেকে পায়ের তলা মুবারক পর্যন্ত যা কিছু রয়েছে অর্থাৎ সমস্ত কিছুই শুধু পবিত্রতমই নয় বরং এতটুকু পবিত্র যে, যা অপবিত্রকে পবিত্র করে দেয়। এমনকি হুজুর সাঃ এর শরীর মুবারক থেকে নিঃসৃত কোন কিছু যদি কেউ খায় বা পান করে তাহলে তার জন্য জাহান্নাম হারাম হয়ে জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যায়। (সুবহানাল্লাহ)

তাহলে বক্ষ বিদীর্ণ কেন?
নিম্নোক্ত হাদিসে এবার একটু নজর দিইঃ
وَحَدَّثَنِي حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى التُّجِيبِيُّ، أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، قَالَ أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ كَانَ أَبُو ذَرٍّ يُحَدِّثُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏”‏ فُرِجَ سَقْفُ بَيْتِي وَأَنَا بِمَكَّةَ فَنَزَلَ جِبْرِيلُ صلى الله عليه وسلم فَفَرَجَ صَدْرِي ثُمَّ غَسَلَهُ مِنْ مَاءِ زَمْزَمَ ثُمَّ جَاءَ بِطَسْتٍ مِنْ ذَهَبٍ مُمْتَلِئٍ حِكْمَةً وَإِيمَانًا فَأَفْرَغَهَا فِي صَدْرِي ثُمَّ أَطْبَقَهُ ثُمَّ أَخَذَ بِيَدِي فَعَرَجَ بِي إِلَى السَّمَاءِ
হারামালা ইবনু ইয়াহইয়া আত তুজিবী (রহঃ) … আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ইরশাদ করেনঃ আমি মক্কাতে ছিলাম। আমার ঘরের ছাদ ফাঁক করা হলো। তখন জিবরীল (আলাইহিস সালাম) অবতরণ করলেন। তিনি আমার বক্ষ বিদীর্ণ করলেন। এরপর তা যমযমের পানি দিয়ে ধৌত করলেন। তারপর হিকমত ও ঈমানে পরিপূর্ণ একটি পাত্র আনা হলো এবং তা আমার বুকে ঢেলে বক্ষ বন্ধ করে দিলেনা এরপর আমার হাত ধরলেন এবং ঊর্ধ্বাকাশে যাত্রা করলেন। (মুসলিম ৩১২ ইঃফাঃ)

সুতরাং এই হাদীস ও উপরোক্ত আলোচনার দিকে লক্ষ করলে এটাই বুঝে আসে যে,
১। হুজুর সাঃ এর বক্ষ বিদীর্ণ পাপ-পন্কীলতা মুক্ত করার জন্য নয়।
২। মর্তবা বৃদ্ধির জন্য
৩। হিকমত ও ঈমান পরিপূর্ণ করে দেওয়ার জন্য।

والله اعلم بالصواب

Copyright By: মুফতি মুফাসসির হিদায়াতুল্লাহ শেখ

About الفقه الحنفي الفقه الاكبر

বিদগ্ধ মুফতিয়ানে কেরামের দ্বারা পরিচালিত , সকল বাতিলের মুখোশ উন্মোচনে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ , উলামায়ে আহনাফ এবং হানাফি মাজহাবের অনুসারীদের সরবাধুনিক মুখপাত্র ফিকহে হানাফী দ্যা গ্রেট ডটকম। আমাদের কারয্যক্রমঃ- ক) ফিকহে হানাফী দ্যা গ্রেট ডটকম । খ) ফিকহে হানাফী দ্যা গ্রেট অনলাইন রিচার্স সেন্টার । গ) বাতিলের মোকাবেলায় সারা দুনিয়া ব্যাপি ইসলামিক সেমিনার ঘ) এবং মুনাজারায় অংশগ্রহণ । ঙ) হোয়াটএ্যাপ্স, টেলিগ্রাম, ভাইবার & সোমা চ্যাট ম্যাসেঞ্জারে ফিকহে হানাফীঃপ্রশ্ন-উত্তর গ্রুপ। আমাদের ভবিষ্যত পরিকল্পনাঃ- ক) ফিকহে হানাফী দ্যা গ্রেট অফলাইন রিচার্স সেন্টার । খ) ফিকহে হানাফী দ্যা গ্রেট ইউনিভার্সিটি । গ) হানাফী টিভি সহ আরও বহুমুখি প্রকল্প। আমাদের আবেদনঃ- এই বহুমুখি এবং বিশাল প্রকল্প-এর ব্যয়ভার কারও একার পক্ষে বহন করা খুবই দুঃসাধ্য ব্যপার। সুতারাং আপনি নিজে ও আপনার হিতাকাংখি দ্বীনের খেদমতে আগ্রহী বন্ধুদের নিয়ে মাসিক/বাতসরিক ও এককালীন সদস্য হিসেবে সহযোগিতার হাত প্রশস্ত করে এগিয়ে আসবেন ; এটাই আমাদের প্রত্যাশা। সাহায্য পাঠাবার ঠিকানাঃ- ১) সোনালী ব্যাংক লিমিটেড, বয়রা শাখা, খুলনা Account Name: Md. Hedaytullah Account No: 2704501011569 ২) বিকাশঃ- +৮৮০১৯২৩৮৭১২৯৩ ৩) এমক্যাশঃ- +৮৮০১৯২৩৮৭১২৯৩৬ ৪) ডি,বি,বি,এল/রকেটঃ- +৮৮০১৯২৩৮৭১২৯৩৮ Express Money Transfer:- Name Hedaytullah ID NO 6512895339162 সার্বিক যোগাযোগঃ- মুফতি মুফাসসির হিদায়াতুল্লাহ শেখ মোবাঃ- +৮৮০১৯২৩৮৭১২৯৩ fiqhehanafithegreat@gmail.com