রাগের মাথায় ৩তালাক দিয়েছিঃএখন করণীয় কি?

السلام عليكم ورحمة الله وبركاته

بسم الله الرحمن الرحيم

রাগ হওয়ার কারনে যে এক সাথে তিন তালাক দিয়েছেন ।এটার যে কপি দিয়েছি সেটার ফতুয়া দেওয়ার অনুরোধ করছি ।
হযরত দের কাছে আরজ রইলো আমার
ফতুয়া যেটা দেওয়া হবে সেই পেজ এর মধ্যে ফতুয়া কোথায় থেকে দেওয়া হল ফতুয়া নং কত এটা সহ ফতুয়া দেওয়ার অনুরোধ রইলো ।
আমি মোঃ লুৎফর রহমান সৌদি প্রভাস

মোবাইল নাম্বার +9660554133973

ইমেইল dammam4720@Gmail. Com

যিনি তালাক দিয়েছেন ; তার নিজ হাতে লিখিত অবস্থার বিবরণ
??????????????????????


ﺣﺎﻣﺪﺍ ﻭ ﻣﺼﻠﻴﺎ ﻭﻣﺴﻠﻤﺎ
উত্তরঃ-
বিবাহ-তালাক ও এসংক্রান্ত শরীয়তের অন্যান্য মৌলিক বিধান জেনে নেয়া প্রত্যেক বিবাহেচ্ছুক ব্যক্তির জন্য আবশ্যক। অন্যথায় গুনাহগার হওয়া কিংবা বিপদের সম্মুখীন হওয়ার প্রবল আশঙ্কা রয়েছে।


উল্লেখ্য, ইসলামী শরীয়তে তালাক অত্যন্ত অপছন্দনীয় একটি বিষয়। তা ছাড়া ইসলামে স্ত্রীকে সর্তক ও সংশোধন করার বিভিন্ন পদ্ধতি রয়েছে। পর্যায়ক্রমে সেসব প্রয়োগ না করে প্রথমেই তালাক দেয়া উচিত নয়। উপরন্তু বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য এক তালাকই যথেষ্ট। তাই শরীয়ত কোনো ক্ষেত্রেই তিন তালাক দেয়া জরুরী সাব্যস্ত করেনি। বলাবাহুল্য,এর কারণে সামাজিক ও পারিবারিক অনেক জটিলতার সৃষ্টি হয়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে যা থেকে উত্তরণের কোনো পথ থাকে না। তথাপি এক সাথে কিংবা পৃথক পৃথক যে কোনো ভাবেই তিন তালাক দিলে তা পতিত হয়ে যায়। এমনকি তা রাগের মাথায় হলেও কার্যকর হয়।
অতএব, প্রশ্নের বিবরণ অনুযায়ী আপনি আপনার স্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে ‘এক তালাক, দুই তালাক, তিন তালাক’ বলায় আপনার স্ত্রীর ওপর তিন তালাক পতিত হয়ে আপনারা একে অপরের জন্য হারাম হয়ে গেছেন। তালাকের পর থেকে আপনাদের পরস্পরের জন্য দেখা-সাক্ষাৎ, মেলা-মেশা তথা স্বামী-স্ত্রী সুলভ সকল আচরণ নাজায়েয ও হারাম। এখন আপনার স্ত্রীর ইদ্দত তথা তালাক পরবর্তী তিন মাসিক শেষ হওয়া পর্যন্ত, আর (যেহেতু এখন গর্ভবতী) গর্ভবতী হলে সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়া পর্যন্ত তাকে খোর-পোষ দেয়া এবং মোহর আদায় না করে থাকলে মোহর আদায় করা আপনার ওপর ওয়াজিব।

অনুরূপভাবে বাচ্চা ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর তার দুগ্ধদান ও লালনপালন আপনার দায়িত্ব। যদি আপনার তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রীকে এই দায়ীত্ব পালন করাতে চান ; আর তিনি যদি এর বিনিময়ে কিছু দাবী করেন, তবে সেটা দেওয়াও আপনার উপর ওয়াজিব।
কোরআন-হাদীসের ভাষ্য অনুযায়ী উক্ত মহিলার সাথে আপনার ঘর-সংসার করা সম্পূর্ণ নাজায়েয। তবে যদি উক্ত মহিলার অন্য পুরুষের সাথে বিবাহ হয় এবং তার সাথে সহবাসও হয়। তারপর ঐ (দ্বিতীয়) স্বামী মারা যায় বা কোনো কারণে তাকে তালাক দেয়, তাহলে দ্বিতীয় স্বামীর তালাক বা মৃত্যুজনিত ইদ্দত পালনের পর নতুনভাবে মোহর নির্ধারণ করে শরীয়ত সম্মত পন্থায় আপনি উক্ত মহিলার সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে নতুন করে ঘর-সংসার করতে পারবেন।
ﻛﻤﺎ ﻗﺎﻝ ﺍﻟﻠﻪ ﺗﻌﺎﻟﻰ ﻓﻰ ﺍﻟﻘﺮﺁﻥ ﺍﻟﻜﺮﻳﻢ :
ﻓَﺈِﻥْ ﻃَﻠَّﻘَﻬَﺎ ﻓَﻠَﺎ ﺗَﺤِﻞُّ ﻟَﻪُ ﻣِﻦْ ﺑَﻌْﺪُ ﺣَﺘَّﻰ ﺗَﻨْﻜِﺢَ ﺯَﻭْﺟًﺎ ﻏَﻴْﺮَﻩُ . ‏( ﺍﻟﺒﻘﺮﺓ : 230 ‏)

যেমন আল্লাহ তায়ালা বলেনঃ যদি কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীকে তালাক দেয় ; তবে সে তার জন্য অতক্ষণ হালাল হবেনা ; যতক্ষণনা ভিন্ন স্বামীর সহিত বিবাহের মাধ্যমে মিলন না হয়। সুরা বাকারা-২৩০

ﻭ ﻓﻲ ﺍﻟﺠﺎﻣﻊ ﻷﺣﻜﺎﻡ ﺍﻟﻘﺮﺍﻥ ﻟﻺﻣﺎﻡ ﺍﻟﻘﺮﻃﺒﻲ : ‏) 3/147 ‏(
ﺍﻟﺜﺎﻧﻴﺔ : ﺍﻟﻤﺮﺍﺩ ﺑﻘﻮﻟﻪ : ﻓﺈﻥ ﻃﻠﻘﻬﺎ ﺍﻟﻄﻠﻘﺔ ﺍﻟﺜﺎﻟﺜﺔ، ﻓﻼ ﺗﺤﻞ ﻟﻪ ﻣﻦ ﺑﻌﺪ ﺣﺘﻲ ﺗﻨﻜﺢ ﺯﻭﺟﺎ ﻏﻴﺮﻩ، ﻭ ﻫﺬﺍ ﻣﺠﻤﻊ ﻋﻠﻴﻪ، ﻻ ﺧﻼﻑ ﻓﻴﻪ .
ﻭﺃﺧﺮﺝ ﺍﻹﻣﺎﻡ ﺍﻟﺒﺨﺎﺭﻱ ﻓﻲ ﺻﺤﻴﺤﻪ (2014 ‏)
ﻋﻦ ﻋﺎﺋﺸﺔ : ﺃﻥ ﺭﺟﻼ ﻃﻠﻖ ﺍﻣﺮﺃﺗﻪ ﺛﻼﺛﺎ ﻓﺘﺰﻭﺟﺖ ﻓﻄﻠﻖ ﻓﺴﺌﻞ ﺍﻟﻨﺒﻲ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭ ﺳﻠﻢ ﺃﺗﺤﻞ ﻟﻸﻭﻝ ؟ ﻗﺎﻝ : ﻻ ﺣﺘﻰ ﻳﺬﻭﻕ ﻋﺴﻴﻠﺘﻬﺎ ﻛﻤﺎ ﺫﺍﻕ ﺍﻷﻭﻝ .
ﻭﺃﺧﺮﺝ ﺍﻹﻣﺎﻡ ﺍﻟﺪﺍﺭﻗﻄﻨﻲ ﻓﻰ ﺳﻨﻨﻪ : ‏( /5 52 ‏)
ﻋَﻦِ ﺍﺑْﻦِ ﻋُﻤَﺮَ , ﺃَﻧَّﻪُ ﻃَﻠَّﻖَ ﺍﻣْﺮَﺃَﺗَﻪُ ﻭَﻫِﻲَ ﺣَﺎﺋِﺾٌ ﻋَﻠَﻰ ﻋَﻬْﺪِ ﺭَﺳُﻮﻝِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺗَﻄْﻠِﻴﻘَﺔً , ﻓَﺎﺳْﺘَﻔْﺘَﻰ ﻋُﻤَﺮُ ﺭَﺳُﻮﻝَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ , ﻓَﻘَﺎﻝَ : ‏« ﻣُﺮْﻩُ ﻓَﻠْﻴُﺮَﺍﺟِﻌْﻬَﺎ ‏» ﻓَﺬَﻛَﺮَ ﻧَﺤْﻮَﻩُ . ﻭَﻓِﻴﻪِ : ﻭَﻛَﺎﻥَ ﻋَﺒْﺪُ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦُ ﻋُﻤَﺮَ ﻳَﻘُﻮﻝُ ﻟِﻠﺮَّﺟُﻞِ : ﺃَﻣَّﺎ ﺃَﻧْﺖَ ﻃَﻠَّﻘْﺖَ ﺍﻣْﺮَﺃَﺗَﻚَ ﺗَﻄْﻠِﻴﻘَﺔً ﺃَﻭْ ﺗَﻄْﻠِﻴﻘَﺘَﻴْﻦِ ﻓَﺈِﻥَّ ﺭَﺳُﻮﻝَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻗَﺪْ ﺃَﻣَﺮَﻧِﻲ ﺑِﻬَﺬَﺍ , ﻓَﺈِﻥْ ﻃَﻠَّﻘْﺖَ ﺛَﻠَﺎﺛًﺎ ﻓَﻠَﺎ ﺗَﺤِﻞُّ ﻟَﻚَ ﺣَﺘَّﻰ ﺗَﻨْﻜِﺢَ ﺯَﻭْﺟًﺎ ﻏَﻴْﺮَﻙَ ﻭَﻗَﺪْ ﻋَﺼَﻴْﺖَ ﺭَﺑَّﻚَ .
ﻭ ﻓﻲ ﻋﻤﺪﺓ ﺍﻟﻘﺎﺭﻱ ﺷﺮﺡ ﺻﺤﻴﺢ ﺍﻟﺒﺨﺎﺭﻱ :(20 /232 ‏)
ﻭﻣﻤﺎ ﻳﺴﺘﻔﺎﺩ ﻣﻨﻪ ﺃﻥ ﺍﻟﺮﺟﻞ ﺇﺫﺍ ﺃﺭﺍﺩ ﺃﻥ ﻳﻌﻴﺪ ﻣﻄﻠﻘﺘﻪ ﺑﺎﻟﺜﻼﺙ ﻓﻼ ﺑﺪ ﻣﻦ ﺯﻭﺝ ﺁﺧﺮ ﻳﺘﺰﻭﺝ ﺑﻬﺎ ﻭﻳﺪﺧﻞ ﻋﻠﻴﻬﺎ ﻭﺃﺟﻤﻌﺖ ﺍﻷﻣﺔ ﻋﻠﻰ ﺃﻥ ﺍﻟﺪﺧﻮﻝ ﺷﺮﻁ ﺍﻟﺤﻞ ﻟﻸﻭﻝ ﻭﻟﻢ ﻳﺨﺎﻟﻒ ﻓﻲ ﺫﻟﻚ ﺇﻻ ﺳﻌﻴﺪ ﺑﻦ ﺍﻟﻤﺴﻴﺐ ﻭﺍﻟﺨﻮﺍﺭﺝ ﻭﺍﻟﺸﻴﻌﺔ ﻭﺩﺍﻭﺩ ﺍﻟﻈﺎﻫﺮﻱ ﻭﺑﺸﺮ ﺍﻟﻤﺮﻳﺴﻲ .
ﻭ ﻓﻲ ﺍﻟﻬﺪﺍﻳﺔ ﺷﺮﺡ ﺍﻟﺒﺪﺍﻳﺔ : ‏( 2/399 ‏)
ﻭ ﺇﻥ ﻛﺎﻥ ﺍﻟﻄﻼﻕ ﺛﻼﺛﺎ ﻓﻲ ﺍﻟﺤﺮﺓ ﻭ ﺍﺛﻨﻴﻦ ﻓﻲ ﺍﻷﻣﺔ ﻟﻢ ﺗﺤﻞ ﺣﺘﻲ ﺗﻨﻜﺢ ﺯﻭﺟﺎ ﻏﻴﺮﻩ ﻧﻜﺎﺣﺎ ﺻﺤﻴﺤﺎ، ﻭ ﻳﺪﺧﻞ ﺑﻬﺎ ﺛﻢ ﻳﻄﻠﻘﻬﺎ ﺃﻭ ﻳﻤﻮﺕ ﻋﻨﻬﺎ .
ﻭﻓﻰ ﺣﺎﺷﻴﺔ ﺍﺑﻦ ﻋﺎﺑﺪﻳﻦ : ‏( 3 /244 ‏)
ﻭﻳﻘﻊ ﻃﻼﻕ ﻣﻦ ﻏﻀﺐ ﺧﻼﻓﺎ ﻻﺑﻦ ﺍﻟﻘﻴﻢ، ﻭﻫﺬﺍ ﺍﻟﻤﻮﺍﻓﻖ ﻋﻨﺪﻧﺎ .
ﻭ ﻳﺮﺍﺟﻊ ﺃﻳﻀﺎ :
ﺑﺪﺍﺋﻊ ﺍﻟﺼﻨﺎﺋﻊ : 3/295 ، ﻓﺘﺢ ﺍﻟﻘﺪﻳﺮ : 4/31 ، ﺍﻟﻤﺒﺴﻮﻁ ﻟﻺﻣﺎﻡ ﺍﻟﺴﺮﺧﺴﻲ : 6/8 ، ﺍﻟﻌﻨﺎﻳﺔ : 4/31 ، ﺍﻟﻤﻮﺳﻮﻋﺔ ﺍﻟﻔﻘﻬﻴﺔ ﺍﻟﻜﻮﻳﺘﻴﺔ : 28/18
ﻭﺍﻟﻠﻪ ﺍﻋﻠﻢ ﺑﺎﻟﺼﻮﺍﺏ
আরও বিস্তারিত জানার জন্য দেখুনঃ
১। কুরতূবীঃ ৩/১৪৮
২। বুখারীঃ হাঃ ২০১৪
৩। দারে ক্বুতনীঃ ৫/৫২
৪। উমদাতুল ক্বারী শরহে বুখারীঃ ২০/২৩২
৫। হেদায়া শরহে বেদায়াঃ ২/৩৯৯
৬। ফতওয়ায়ে শামী ইবনে আবিদীনঃ ৩/২৪৪
৭। বাদাইয়ূস সানায়েঃ ৩/২৯৫
৮। ফাতহুল ক্বাদীরঃ ৪/৩১
৯। আল-মাবসুত সারাখসীঃ ৬/৮
১০। আল ইনায়াঃ ৪/৩১
১১। আল-মাউসুয়া’তু ফিক্বহিয়্যাহঃ ২৮/১৮

Copyright By: মুফতি মুফাসসির হিদায়াতুল্লাহ্ শেখ্

About الفقه الحنفي الفقه الاكبر

বিদগ্ধ মুফতিয়ানে কেরামের দ্বারা পরিচালিত , সকল বাতিলের মুখোশ উন্মোচনে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ , উলামায়ে আহনাফ এবং হানাফি মাজহাবের অনুসারীদের সরবাধুনিক মুখপাত্র ফিকহে হানাফী দ্যা গ্রেট ডটকম। আমাদের কারয্যক্রমঃ- ক) ফিকহে হানাফী দ্যা গ্রেট ডটকম । খ) ফিকহে হানাফী দ্যা গ্রেট অনলাইন রিচার্স সেন্টার । গ) বাতিলের মোকাবেলায় সারা দুনিয়া ব্যাপি ইসলামিক সেমিনার ঘ) এবং মুনাজারায় অংশগ্রহণ । ঙ) হোয়াটএ্যাপ্স, টেলিগ্রাম, ভাইবার & সোমা চ্যাট ম্যাসেঞ্জারে ফিকহে হানাফীঃপ্রশ্ন-উত্তর গ্রুপ। আমাদের ভবিষ্যত পরিকল্পনাঃ- ক) ফিকহে হানাফী দ্যা গ্রেট অফলাইন রিচার্স সেন্টার । খ) ফিকহে হানাফী দ্যা গ্রেট ইউনিভার্সিটি । গ) হানাফী টিভি সহ আরও বহুমুখি প্রকল্প। আমাদের আবেদনঃ- এই বহুমুখি এবং বিশাল প্রকল্প-এর ব্যয়ভার কারও একার পক্ষে বহন করা খুবই দুঃসাধ্য ব্যপার। সুতারাং আপনি নিজে ও আপনার হিতাকাংখি দ্বীনের খেদমতে আগ্রহী বন্ধুদের নিয়ে মাসিক/বাতসরিক ও এককালীন সদস্য হিসেবে সহযোগিতার হাত প্রশস্ত করে এগিয়ে আসবেন ; এটাই আমাদের প্রত্যাশা। সাহায্য পাঠাবার ঠিকানাঃ- ১) সোনালী ব্যাংক লিমিটেড, বয়রা শাখা, খুলনা Account Name: Md. Hedaytullah Account No: 2704501011569 ২) বিকাশঃ- +৮৮০১৯২৩৮৭১২৯৩ ৩) এমক্যাশঃ- +৮৮০১৯২৩৮৭১২৯৩৬ ৪) ডি,বি,বি,এল/রকেটঃ- +৮৮০১৯২৩৮৭১২৯৩৮ Express Money Transfer:- Name Hedaytullah ID NO 6512895339162 সার্বিক যোগাযোগঃ- মুফতি মুফাসসির হিদায়াতুল্লাহ শেখ মোবাঃ- +৮৮০১৯২৩৮৭১২৯৩ fiqhehanafithegreat@gmail.com