জামাতে মুসল্লী সংখ্যা নির্ধারণ ও কাতারের মাঝে ফাঁক রাখা। মুফতিয়ে আ’যম আঃ সালাম চাটগাঁমীর ঐতিহাসিক ফাতওয়া এবং জাষ্টিস আল্লামা তক্বী উসমানীর রুজুনামার গুজব।

বিছমিল্লাহির রাহমানির রাহীম

নামায সম্পর্কে জরুরী ফাতওয়া

ওলামায়ে কেরামগণ এই মাসআলা সম্পর্কে কী মতামত ব্যক্ত করেন,

মুফতিয়ে আ’যম আঃ সালাম চাটগাঁমীর ঐতিহাসিক ফাতওয়া এবং জাষ্টিস আল্লামা তক্বী উসমানীর রুজুনামা।

১ম প্রশ্ন : সরকারের পক্ষ থেকে কিছু আলেমের মাধ্যমে এই ঘােষণা করা হয়েছে যে, পাঁচওয়াক্ত নামাযে সীমিত সংখ্যক মুসল্লী অর্থাৎ প্রত্যেক মসজিদের ওয়াক্তিয়া নামাযে ইমাম-মুয়াজ্জিন-খাদেমসহ সর্বোচ্চ ৫ জন মুসল্লী এবং জুমার নামাযে সর্বোচ্চ ১০ জন মুসল্লী জামাতে নামায আদায় করতে পারবে, বাকীরা নিজ নিজ ঘরে নামায আদায় করবেন। এ ধরণের বিধিনিষেধ আরােপ করা কুরআন সুন্নাহ এবং ফিকহে ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে কতটুকু যুক্তিসঙ্গত? অথচ আমরা এ পর্যন্ত শুনে আসছি, মসজিদের প্রতিবেশীর জন্য কোন শরয়ী ওষর ব্যতীত ঘরে নামায আদায় করা জায়েয নয় । যদি শরয়ী ওযর ব্যতীত ঘরে নামায আদায় করা হয়, তাহলে তাদের নামায হবে না জামাতে শরীক হওয়ার গােনাহ হবে। এখন হযরতের নিকট আর হল- এ বিষয়ে কুরআন-সুন্নাহর আলােকে শরয়ী সমাধান কী হতে পারে?

২য় প্রশ্ন : প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই নির্দেশনাও দেয়া হয়েছে যে, মসজিদে যারা নামায পড়তে আসবেন, তারা কাতারবন্দী হওয়ার সময় একে অপরের থেকে কমপক্ষে একফুট বা এক গজ পরিমাণ দূরত্ব বজায় রেখে দাঁড়াবেন, যাতে করে কোন রােগ বা ভাইরাস সং মত না হয়। হযরতের নিকট আবেদন হল- শরীয়তের দৃষ্টিতে এভাবে নামায পড়লে তা আদায় হবে কি না?

আশাকরি, কুরআন-সুন্নাহর আলােকে সঠিক সমাধান প্রদানে বাধিত করবেন।

আমরা সর্বপ্রথম মুফতি আঃ সালাম চাটগাঁমী সাহেবের ফাতওয়া টা দেখবো। অতঃপর আল্লামা তক্বী উসমানী দাঃবাঃ এর রুজুর গুজবটিও দেখে নেবো ইনশাআল্লাহ।


الجواب باسمه تعالی

১ম প্রশ্নের উত্তর :

(ক) উক্ত মাসআলার ব্যাপারে আল্লাহ তা’আলা কুরআনে কারীমে ইরশাদ করেন,

حافظوا على الصلوات والصلاة الوسطى على )سورة البقرة ۳۸ ۲(

অর্থ : (হে ঈমানদারগণ!) তােমরা পাঁচওয়াক্ত নামাযের হেফাজত কর। বিশেষ করে মধ্যবর্তী সময়ের নামাযের। (সূরা বাক্বারা : ২৩৮)। আয়াতের ব্যাখ্যায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন,

من سمع النداء فلم يجب فلا صلاة له الامن عذر” وفي رواية عن أبي هريرة عليه الصلاة والسلام : لقد هممت أن آمر فتيتى ان يجمعوا حزم الطب ثم آمر بالصلوة

فتقام ثم احرق على أقوام لا يشهدون الصلاة۔ (ترمذی مع عرف الشذی ج ۱ ، ص ۵۴ ، رقم

الحديث ۴۱(

অর্থ : “যারা আযান শুনল, কিন্তু উত্তর দিল না, তাদের নামায হবে না। তবে শরয়ী ওযর থাকলে ভিন্ন কথা।” অন্য বর্ণনায় আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “আমার ইচ্ছা হয়, আমার যুবকশ্রেণীদেরকে আদেশ দেই, যেন তারা আগুন জ্বালানাের কাঠ সংগ্রহ করে এবং নামায আদায় করার নির্দেশ দেই, আর জামাত শুরু হয়ে গেলে যারা মসজিদে জামাত সহকারে নামায পড়তে উপস্থিত হবে না, তাদের ঘরগুলাে জ্বালিয়ে দেই।” এরূপ বর্ণনা হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ, হযরত আবু দারদা এবং হযরত ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত হয়েছে। (তিরমিযীর হাশিয়া আরফুশ শযী : ১/৫২, হাদীস নং ২১৭)

ইমাম তিরমিযী রহ. উক্ত হাদীসটি হাসান এবং সহীহ বলেছেন। তিনি আরও বলেন, “অগণিত সাহাবা থেকে এই বর্ণনাও রয়েছে যে, যারা ওষর ব্যতীত আযানের পরে জামাতে শরীক হবে না, তাদের নামায হবে না।”

(খ) মুহাদ্দিসে কাবীর, শাইখুত তাফসীর হযরত মাওলানা মুহাম্মাদ ইদরীস কান্দলভী রহ. তাঁর প্রসিদ্ধ তাফসীর গ্রন্থ “মা’আরিফুল কুরআন”-এ লিখেন,

ومن أظلم ممن منع مساجد . . . . الله” )سورة البقرة ۴(

অর্থাৎ “ঐ ব্যক্তি থেকে অধিক অত্যাচারী আর কে হতে পারে? যে মানুষদেরকে বাধা দেয় মসজিদে যেতে এবং সেখানে আল্লাহর নাম নিতে। চাই তা মনে মনে হােক বা মুখে হোক অথবা শরীরের অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের মাধ্যমে হাক। শুধু এতটুকু নয়; বরং মসজিদ ধংস করার প্রচেষ্টা চালায়।” (সূরা বাক্বারা : ১১৪)

মসজিদের অসম্মান এবং বিরানভূমিতে পরিণত করাকে প্রকাশ্য ধ্বংস বলে। আর পরােক্ষভাবে ধ্বংস বলে- লােকদেরকে আল্লাহর ইবাদত, যিকির-আযকার এবং নামায আদায় করা থেকে নিষেধ করা। (মা’আরিফুল কুরআন : ১/২০৩)


পাকিস্তানের মুফতীয়ে আযম আল্লামা মুফতী মুহাম্মাদ শফী রহ. তাঁর প্রসিদ্ধ তাফসীর গ্রন্থ মা’আরিফুল কুরআনে উপরােল্লিখিত আয়াতের ব্যাখ্যার ধারাবাহিকতায় বলেন- “তিন নং মাসআলা হল এই যে, মসজিদ বিনষ্ট করার যতগুলাে পদ্ধতি রয়েছে, সবগুলােই হারাম। বাহ্যিকভাবে মসজিদ ধ্বংস করা ও বিরানভূমিতে পরিণত করা যেভাবে হারামের অন্তর্ভুক্ত, ঠিক তেমনিভাবে এমন কিছু পন্থা অবলম্বন করাও হারামের অন্তর্ভুক্ত, যার কারণে মসজিদ ধ্বংস হয়ে যায় বা বিরানভূমিতে পরিণত হয়। মসজিদ ধ্বংস করা বলতে যেমন, মানুষকে নামায পড়তে মসজিদে আসতে বাধা দেওয়া অথবা এমন পন্থা অবলম্বন করা, যাতে মুসী কমে যায়। কেননা, মসজিদ আবাদ রাখা মূলতঃ দরজা-জানালা এবং সেগুলােকে সজ্জিত করার নাম নয়; বরং সেখানে আল্লাহর যিকির, কুরআনের তিলাওয়াত এবং নামাজ আদায়ের মাধ্যমেই মসজিদ আবাদ রাখা আসল উদ্দেশ্য।” সেজন্য কুরআনে কারীমের এক জায়গায় ইরশাদ হয়েছে।

ফাতওয়ার ২য় পেজ

إنما يعمر مساجد الله من أمن و سورة التوبة ۱۸(

অর্থ : প্রকৃত অর্থে মসজিদ আবাদ তারাই করেন, যাঁরা আল্লাহর উপর ঈমান রাখেন, আখেরাতের দিবসের উপর ঈমান রাখেন, নামায কায়েম করেন, যাকাত আদায় করেন এবং আল্লাহ ছাড়া অন্য কাউকে ভয় করেন না। (সূরা তাওবাহ : ১৮) সেজন্য রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, কিয়ামতের নিকটবর্তী সময়ে বাহ্যিকভাবে মসজিদগুলাে অনেক সজ্জিত হবে। কিন্তু প্রকৃতঅর্থে তা আবাদ থাকবে না। সেখানে নামাযীদের উপস্থিতি কমে যাবে অথবা বিভিন্ন পন্থা সৃষ্টি করা হবে, যাতে মসজিদে মুসী কমে যায়।

হযরত আলী রা. বলেন, মর্যাদাবান মানুষের কাজ হল ছয়টি। তার মধ্যথেকে ১টি হল- কুরআন তিলাওয়াত করা, ২. মসজিদ আবাদ করা, ৩, এমন বন্ধু-বান্ধবদের সংগঠিত করা, যারা আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠায় সহযােগিতা করবে। (তাফসীরে মা’আরিফুল কুরআন : ১/২৭২) উপরােল্লিখিত দুই তাফসীরে যে কথাগুলাে বলা হল, তার সারমর্ম এই

১. মসজিদ আল্লাহর ঘর, তার উদ্দেশ্য হল- সেখানে আল্লাহর যিকির করা হবে অন্তরে, মুখে এবং অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের মাধ্যমে। যেমন, নামায, কুরআন তিলাওয়াত ইত্যাদি।

২. মসজিদে মুসল্লীদের বেশী বেশী যাতায়াত করা এবং আল্লাহর যিকির ও তিলাওয়াত করা ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের কাজ।

৩. মসজিদ আবাদ এবং নির্মাণ করা মর্যাদাশীল মানুষের স্বতস্ফূর্ত চাহিদার প্রতিফলন।

৪, পক্ষান্তরে মানুষদেরকে মসজিদে আসা থেকে বিরত রাখা বা বাধা দেওয়া এবং মসজিদে নামায পড়তে না দেওয়া, এগুলােও একধরণের মসজিদ ধ্বংস করার নামান্তর।

৫, মসজিদ থেকে মানুষকে বিরত রাখার দ্বারা যেভাবে মসজিদ ধ্বংস করা বুঝায়, তেমনিভাবে কিছু সংখ্যক অথবা মুসল্লীর সংখ্যা নির্দিষ্ট করে দেয়া, এটাও মসজিদ ধ্বংস করার অন্তর্ভুক্ত। আর এটা একধরণের অত্যাচার ও বাড়াবাড়িও বটে।

৬। কিছু মানুষ মুসল্লীদেরকে মসজিদে না আসার এবং বাধা দেওয়ার যেই কারণগুলাে বলছে শরীয়তে সেই কারণগুলাের কোন বর্ণনাও নাই, এর প্রতি কোন ইঙ্গিতও নাই।


(গ) আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে কারীমে ইরশাদ করেন,

ফাতওয়ার ৩য় পেজ

وإذ جعلنا البيت مثابة للناس وأمنا واتخذوا من مقام إبراهيم مصلی و عهدنا إلى إبراهيم وإسماعيل أن طهرا بيتي للطائفين والعاكفين والركع السجود (سورة البقرة :۱۲۵(

অর্থ : আমি বাইতুল্লাহ শরীফকে নির্ধারণ করেছি মানুষের সমাগমের জায়গা এবং পরিপূর্ণ নিরাপত্তার স্থানস্বরূপ। তােমরা মাকামে ইবরাহীমকে নামাযের স্থান বানিয়ে নাও এবং আমি ইবরাহীম ও ইসমাইল (আ.)কে হুকুম করেছি যে, তােমরা আমার ঘরকে সেই সকল লােকের জন্য পবিত্র কর, যারা এখানে তাওয়াফ করবে এবং রুকু-সিজদা আদায় করবে। (সূরা বাকারা :

১২৫, মাউফিহুল কুরআন : ২৪, শাহ আব্দুল কাদির দেহলভী রহ.) তাফসীরে ওসমানীতে উক্ত আয়াতের তাফসীর এভাবে এসেছে, “যখন আমি নির্ধারণ করলাম বাইতুল্লাহ শরীফকে মানুষদের মিলনায়তন এবং নিরাপত্তার জায়গা হিসেবে। কেননা, প্রতি বছর লােকজন হজ্জ-উমরার জন্য সমবেত হয় এবং সেখানে তাওয়াফ করেন, নামায পড়েন। অনেক লোকজনের সমাগম হয়। যারা হজ-ওমরাহ করেন, তারা আব এবং মানুষের অত্যাচার থেকে নিরাপদে থাকেন। হজ-ওমরায় তােমরা মাকামে ইবরাহীমে নামায পড়। আমি ইবরাহীম ও ইসমাঈল আ.কে বলেছি, বাইতুল্লাহকে তাওয়াফকারী ও রুকু-সিজদাকারীদের জন্য পবিত্র কর।” (তাফসীরে ওসমানী : ২২) কুরআনে কারীমের উপরােল্লিখিত আয়াত থেকে জানা যায় যে, বাইতুল্লাহ শরীফ এবং পৃথিবীর সমস্ত মসজিদসমূহ সমবেত হওয়ার জায়গা। বাইতুল্লাহ শরীফে তাওয়াফ, নামায ও যিকির আযকার ইত্যাদি করা হয় এবং অন্যান্য মসজিদে জামাত সহকারে নামায আদায় ও তিলাওয়াতে কুরআন ইত্যাদি করা হয়।

সুতরাং আল্লাহ তাআলা যেই জায়গাগুলােকে মানুষের সমাগমের স্থান বানিয়েছেন, সেগুলােকে কোন্ অত্যাচারী ধ্বংস করে দিবে! বন্ধ করে দিবে!! নামায থেকে বাধা দিবে!!! যদি কেউ করে থাকে, তাহলে সে হবে পৃথিবীর বড় অত্যাচারী। তার চেয়ে বড় অপরাধী আর কেউ হতে পারে । আল্লাহ তাআলা সবাইকে বিবেক-বুদ্ধি দিয়ে কাজ করার তাওফীক দান করুন। ইহুদী-খৃস্টান এবং অমুসলিমদের কথায় মসজিদগুলােকে ইবাদত করা থেকে বন্ধ রাখা উচিত নয়; বরং তা সমস্ত মুসলমানদের জন্য উন্মুক্ত রাখা চাই। কিন্তু যাদের তারা ক্ষতির আশঙ্কা আছে, তাদেরকে নিষেধ করা যেতে পারে। হযরত ইবনে আব্বাস রা. থেকে হযরত মুজাহিদ রহ. বর্ণনা করেন

وعن مجاهد اله قال سئل ابن عباس عن رجل يصوم النهار ويقوم الليل ولا يشهد الجمعة والجماعة فقال وهو في النار۔ (ترمذی رقم الحدیث ۳۱۸(

অর্থ : হযরত ইবনে আব্বাস রা. থেকে এক ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হল- যে দিনে রােযা রাখে, রাতে ইবাদত করে। কিন্তু জুমা এবং জামাতে শরীক হয় না। তখন ইবনে আব্বাস রা.

উত্তরে বললেন- সে হল জাহান্নামী। (তিরমিযী শরীফ, হাদীস নং ২১৮)

وعن مجاهد روی و معنى الحديث انه من لا يشهد الجماعة والجمعة رغبة عنها۔

হযরত মুজাহিদ রহ. মসজিদে না আসা’-এর ব্যাখ্যা এভাবে করলেন যে, “অলসতাবশতঃ জামাত এবং জুমায় উপস্থিত না হওয়া।”


হযরত আনাস বিন মালিক রা. রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন

ফাতওয়ার ৪র্থ পেজ

وفي رواية عن النبي من ترك الجمعة ثلث مزقتها واطبع الله في قلبه

দিবেন। মােটকথা, ওযর ব্যতীত পাঁচওয়াক্ত নামাযের এবং জুমার জামাতকে ছেড়ে দেওয়ার উপর কঠিন ভীতি প্রদর্শন করা হয়েছে। কিন্তু যারা রােগাক্রান্ত অথবা রােগাক্রান্ত হওয়ার ভয় আছে, তারা ভয়ের কারণে যদি জুমা এবং জামাতে উপস্থিত হতে না পারে, তাহলে তাদের কোন গোনাহ হবে না। তবে যাদের ক্ষেত্রে শরয়ী কোন ওযর নেই, শুধুমাত্র ভ্রান্ত বিশ্বাসের বশংবর্তী হয়ে পাঁচওয়াক্ত নামাযের জামাতে উপস্থিত হয় না, তারা দুই কারণে কঠিন গুনাহগার হবেন।

১। ভ্রান্ত বিশ্বাস। ২ জামাত ছেড়ে দেওয়া। প্রকাশ থাকে যে, ভ্রান্ত বিশ্বাসের অর্থ হল এই যে

لا عدوی ولا صفر ولا هامة ولا طيرة في الاسلام۔

অর্থ : “নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ইসলামী আক্বিদাসমূহে রােগব্যাধি সংক্রমের কোন আদি বা বিশ্বাস নেই।”

অর্থাৎ একজনের রােগ অন্যজনের দিকে সংক্রমিত হওয়ার বিশ্বাসকে ইসলাম সমর্থন করে না। কেননা, রােগব্যাধি সবগুলােই আল্লাহর সৃষ্টি এবং আল্লাহর আদেশের অধীন। চাই মানুষের রােগব্যাধি হােক, অথবা কোন প্রাণীর। আল্লাহ তা’আলার নিয়ম হল- যেখানে এবং যার উপর রােগব্যাধি যাওয়ার নির্দেশ করবেন, সেখানেই যাবে। অন্য কোথাও নয়। যদি রােগব্যাধি স্বাধীনভাবে যেখানে ইচ্ছা সেখানেই যেতে পারত, তাহলে তাে প্রতিটি মানুষের কাছেই যেতো। অথচ এমনটা হয় না। সুতরাং করোনাভাইরাস’ যেই সমস্ত এলাকায় ছড়িয়েছে, যদি সবার কাছেই যায়, তাহলে তাে সবাই ধ্বংস হয়ে যাবে। কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছি, কেউ আক্রান্ত হচ্ছে, অন্যজন আক্রান্ত হচ্ছে না; বরং আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে যাকে আক্রান্ত করার আদেশ হয়, তাকেই ভাইরাসে আক্রান্ত করছে।

অতএব, এই ধরণের রােগব্যাধির আশংকায় মসজিদে জুমা এবং পাঁচ ওয়াক্ত নামাযের জামাতে উপস্থিত না হওয়া শরয়ী কোন ওযর নয়। বিশেষ করে এই কারণেই যে, পৃথিবীর সমস্ত মসজিদ আল্লাহর ঘর। সেটা তাে রহমত, বরকত, শান্তি, নিরাপত্তা এবং অধিক পরিমাণে সাওয়াব লাভ করার জায়গা। সুতরাং, মসজিদে নামায আদায় করার দ্বারা আল্লাহ তা’আলা সষ্ট হন। আর মসজিদে না যাওয়া, জামাতবন্ধভাবে নামায না পড়ার কারণে আল্লাহ তা’আলা অসন্তুষ্ট হন। আর যদি আল্লাহর ঘরে এই ভাইরাস আসে, তাে আল্লাহর আদেশেই আসবে। নাকি আল্লাহর আদেশ ছাড়া? যেখানে আল্লাহ তা’আলা বান্দাদেরকে জামাত সহকারে নামায পড়ার আদেশ দিয়ে রহমত, বরকত এবং অধিক পরিমাণে সাওয়াব লাভ করার জন্য আহ্বান করেন, সেখানে রােগব্যাধির মাধ্যমে আযাব দিবেন কেন? অথচ, রােগব্যাধি নাফরমান মুশরিকদের জন্য আযাব হিসেবেই আসে। যদি ঈমানদার রােগাক্রান্ত হয়, তাহলে সেটা রহমত হিসেবেই গণ্য হবে। এই কথাও মনে রাখতে হবে, রােগব্যাধি স্বাধীনভাবে যেখানে ইচ্ছা সেখানে যদি যেতে পারে, তাহলে তাে সেটা আল্লাহর সৃষ্টি এবং তাঁর অধীনে থাকল না।

ফাতওয়ার ৫ম পেজ

অথচ, এটার কোন প্রমাণ নেই; বরং প্রমাণ তার বিপরীতমুখী। কেননা, কুরআন-হাদীস এ কথার প্রমাণ বহন করে যে, সমস্ত রােগব্যাধি আল্লাহ তা’আলার সৃষ্টি এবং তাঁর হুকুমের অধীন। যদি কারও কাছে যায়, আর কেউ যদি তাতে আক্রান্ত হয়, তাহলে সেটা আল্লাহর হুকুমেই হবে। মসজিদে রোগব্যাধি আসার কোন দলিল কুরআন ও হাদীসের উদ্ধৃতিতে নেই। যদি কারও সন্দেহ বা আশংকা হয়, সেটা নিশ্চিৎ বিষয়ের বিপরীতেই হল। কেননা, ফিকহে ইসলামীর একটি মৌলিক বিষয় হল

অর্থাৎ, নিশ্চিৎ বিষয় সন্দেহের কারণে রহিত হবে না।

اليقين لا يزول بالشك۔

আর এই ব্যাপারে ডাক্তারদের গবেষণা তখনই গ্রহণ করা যাবে, যখন তা কুরআন-সুন্নাহর পরিপন্থী না হয়। যদি আন-সুন্নাহর পরিপন্থী হয়, তাহলে তা প্রত্যাখ্যাত হব।

দ্বিতীয় প্রশ্নের উত্তর : করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ভয়ে মসজিদে নামাযের কাতারে এক গজ বা ফুট দূরত্ব বজায় রাখা যেহেতু শরীয়ত পরিপন্থী, সুতরাং শরীয়তের দৃষ্টিতে এ ধরণের নীতিমালার কোন গ্রহণযােগ্যতা নেই। নামাযের কাতারের বিষয়ে শরয়ী নীতিমালা হলাে এই-নামাযে কাতারবন্দী এভাবেই হবে, যেভাবে ফেরেশতারা নিজেদের ইবাদত এবং তাসবীহ পাঠ করার সময় কাতারবন্দী হন।

নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই কথার ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বলেন, ফেরেশতারা যখন আল্লাহ তা’আলার ইবাদত এবং তাসবীহ পাঠ করেন, তখন পরস্পর মিলেমিশে কাতারবন্দী হন। মাঝখানে কোন জায়গা ফাঁকা রাখেন না। নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উম্মতকে শিক্ষা দিয়েছেন যে, “তোমরা যখন আল্লাহ তা’আলার ইবাদত নামায আদায় করবে, তখন কাঁধের সাথে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়াবে এবং মাঝখানে কোন ফাঁকা রাখবে না। কেননা, ফাঁকা জায়গাতে শয়তান এসে পড়বে এবং জায়গাগুলােকে পূর্ণ করবে। আল্লাহ তা’আলা এটা পছন্দ করেন না যে, শয়তানও তােমাদের সাথে ইবাদতে শামিল হােক।” তার দলীল হল এই যে,

الا تصفون كما تصف الملائكة عند عن جابر بن سمرة بن جندب قال قال رسول الله ما ربهم قلنا كيف تصف الملائكة عند ربهم قال يتمون الصف المتقدمة ثم يصف الثاني

ويتراضون في الصف اي يضم بعضهم ما بعض۔ (ابو داؤد، رقم الحدیث ۲۶۱ )

হযরত জাবের বিন সামুরাহ রা. বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, “তােমরা নামাযের কাতারে এমনভাবে দাঁড়াও, যেভাবে ফেরেশতারা কাতারবন্দী হয়। জিজ্ঞাসা করলাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! ফেরেশতারা কিভাবে কাতারবন্দী হয়? তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তাঁরা এভাবে দাঁড়ান যে, প্রথমে প্রথম কাতার পূর্ণ করেন, এরপর দ্বিতীয় কাতার। এভাবে প্রত্যেক কাতারকে পূর্ণ করেন। মাকখানে কোন খালি জায়গা রাখেন না। সুতরাং তােমরাও নিজেদের কাতার এভাবে বানাও। যেন কাতারের মাঝখানে কোন খালী জায়গা না থাকে। কেননা, খালী জায়গায় শয়তান প্রবেশ করে তােমাদের নামাযের বিভিন্ন ক্ষতিসাধন করবে।” (আবু দাউদ, হাদীস নং ৬৬১)


অন্য হাদীসে আছে

ফাতওয়ার ৬ষ্ঠ পেজ

عن أنس بن مالك عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال رصوا صفوفكم وقاربوا بينها وحاذوا بالأعناق فوالذي نفسي بيده إني لأرى الشيطان يدخل من خل ل الصف كانها الحلف (ابو داؤد، رقم الحدیث ۹۹ )

অর্থ : হযরত আনাস বিন মালিক রা. থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, তােমরা তােমাদের কাতারকে মিলিয়ে মিলিয়ে বিন্যাস্ত কর। মাঝখানে ফাঁকা রাখিওনা। কাঁধের সাথে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়াও। এরপর তিনি বললেন, যাঁর কুদরতী হাতে আমার প্রাণ, তাঁর শপথ! আমি দেখতে পাই, যখন তােমরা কাতারের মাঝখানে দূরত্ব রাখ, শয়তান ছাগলের বাচ্চার মত প্রবেশ করে। (আবু দাউদ, হাদীস নং ৬৬৭)

عن ابن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال أقيموا الصفوف وحاذوا بين المناكب وسدوا الخل ل ولينوا بأيدي إخوانكم ولا تذروا فرجات للشيطان و من وصل صفا و صله الله و من قطخ صفا قطعه ال له۔ ابو داؤد، رقم الحدیث ۲۰۹۹ )

অর্থ : হযরত ইবনে উমর রা. থেকে বর্ণিত। তিনি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে ইরশাদ করেন, তিনি বলেন- তােমরা কাতারকে মিলিয়ে মিলিয়ে বিন্যান্ত কর। যে ব্যক্তি কাতার মিলানাের জন্য ফাঁকা জায়গাকে বন্ধ করল, আল্লাহ তাআলা তাকে নিজের সাথে মিলিয়ে নিবেন আর যে কাতারের মাঝখানে ফাঁকা রাখবে, আল্লাহ তা’আলা তাকে নিজের থেকে পৃথক করে দিবেন। তােমরা শয়তানের জন্য মাঝখানে ফাঁকা রাখিওনা। (আবু দাউদ, হাদীস নং ৬০৬৬)

আমাদের অনেকের আকিদা হলাে এই যে, কাতারগুলােকে মিলালে রােগাক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অথচ, মসজিদ রােগব্যাধির জায়গা নয়; বরং আল্লাহ তা’আলার রহমত, বরকত, শান্তি, নিরাপত্তা এবং অগণিত সাওয়াব অর্জন করার জায়গা। সুতরাং, এমন নীতিমালার উপর আমল করা বৈধ নয়, যা শরীয়তপরিপন্থী। যদি ডাক্তার গন বলেন, এভাবে মিলিয়ে দাঁড়ালে রােগাক্রান্ত হতে পারে, তাহলে সেটা তাদের ডাক্তারী এবং মানবীয় গবেষণা। অথচ, কুরআন-হাদীসের বিপরীতে ডাক্তার এবং মানবীয় গবেষণার কোন গ্রহণযােগ্যতা নেই। সুতরাং, সন্দেহ, এবং অনুমাননির্ভর কথার উপর ভিত্তি করে কুরআন-হাদীসের নিশ্চিত বিষয়কে পরিত্যাগ করার কোন সুযােগ নেই। আমাদেরকে দ্বীনকে দ্বীনের দৃষ্টিতেই দেখতে হবে। মানবকল্পিত গবেষণার দৃষ্টিতে দেখার কোন অবকাশ নেই।

ফাতওয়ার ৭ম & শেষ পেজ

এবার আমরা পাকিস্তানের রোজ নামায়ে উম্মত নামক ভূয়া নিউজ পোর্টাল করাচিতে প্রকাশিত গুজব এর আংশিক ভাবানুবাদ দেখবো ইনশাআল্লাহ।

کراچی کے مضافات میں باجماعت نماز جمعہ ادا شہر کی کئی بڑی مساجد میں بھی نمازیوں کی تعداد دو صفوں سے زائد رہی۔ بعض تھانیدار ائمہ کرام سے بلاجواز الجھتے رہے۔ پیر آباد میں نمازیوں کو روکنے پر پولیس سے تصادم- دینی حلقوں نے انتظامیہ کے رویئے کی امت کردی کراچی کے مضافاتی علاقوں میں جمعہ کے بھر پور اجتماعات منعقد ہوئے۔ جبکہ شہر کی گئی بڑی مساجد میں بھی نماز اوں کی تعداد دو سے تین صف رتی۔ اور جامعہ بنوری ٹاؤن کے سابق رئیس وار لانا مفتی عبدالسلام مهانگائی کا گھروں میں نماز جمہ کے تندم جواز کا فتو کلی سامنے کے بعد مفتی تقی عماني سن می اپنے ت ے سے رجوع کر لیا ہے۔ جبکہ سوشل میڈیا پر دینی حلقوں نے پولیس و انتظامیہ کے ناروا سلوک کی شدید مذمت کی ہے۔ گزشتہ روز کراچی کے مضافاتی علاقوں کی مساجد میں نماز کے گھر پر اجتماعات منتر ہو بعض علاقوں میں ایک ڈاؤن ہونے کے باوجود سے نماز جمعہ کے اجتماعات زیادہ بڑے پلانے پر ہوئے ۔ جس کی وجہ سے مسجد کے باہربھی مفیں بچھائی گئی۔ تاہم شہر کے اندر بڑی اور معروف مساجد کے باہر پولیس کی موجودگی کی وجہ سے زیادہ تعداد میں نمازی جمعہ پڑھنے کیلی نہیں آ سکے۔ لیکن ان کی مساجد میں نمازیوں کی تعد اور جنوں میں رہی ۔امت‘‘ سروے کے مطابق کورنگی کے علات الی آباد کی جامع مسجد میں بدستور باجماعت نماز میں پڑھائی جارہی ہیں۔ ڈیفنس فیز ایٹ کره یک ایھا کی مسجد میں بھی نماز جمعہ باجماعت ادا کی گئی۔ سہراب گوٹھ کی تمام مساجد میں نماز جمعہ کے بھر پور اجتماعات ہوں کے میٹرول کی مساجد میں بھی نماز جمعہ کے اجتماعات ہوئے ۔ اکثر مساجد میں پہلے سے زیادہ نمازی موجود تھے۔ کراچی کینٹ کے ایہ بان کی مساجد میں بھی نماز باجماعت ادا کی گئی۔ بلی مارکیٹ کی اکثر مساجد میں نماز جمعہ باجماعت ادا کی گئی۔ بلدیہ ٹاؤن کی تمام مساجد میں نماز جمعه باجماعت ادا کی گی سعید آباد عبید اللہ گوٹھ ، بلال کالونی مگر ارکالونی، بری کالونی ، مہران ٹاؤن ، لانڈھی، کورنگی ، ر اوی ان ی اور ان کی مساجد میں بھی نماز جمعہ با جماعت ادا کی

নিউজটির স্ক্রিনশট

করাচির উপকণ্ঠে মসজিদে জামাতের সাথে জুম্মা আদায়ঃ নগরীর অনেক বড় মসজিদে মুসল্লীর সংখ্যা ছিল দুই সারির চেয়েও বেশি। কিছু তদন্তকারী ইমামদের বিভ্রান্ত করতে থাকে। পেরেবাদে বিক্ষোভ নিয়ে পুলিশের সংঘর্ষ – ধর্মীয় মহলগুলি করাচির শহরতলিতে শুক্রবার জামাত সমাবেশ করার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। বৃহত্তর মসজিদগুলিতে নামাজির সংখ্যা ছিল দুই থেকে তিন সারি। জামায়াতের নামাজের ফতোয়া ঘরে মঞ্জুর না হওয়ার ব্যাপারে বনওয়ারী টাউনের প্রাক্তন প্রধান মুফতি আবদুল সালাম চাটগাাঁমীর ফাতওয়া মুফতি তকী ওসমানীর কাছে পৌঁছলে তিনি রুজু করেন। সোশ্যাল মিডিয়ায়, ধর্মীয় ব্যক্তিত্বগণ পুলিশ এবং প্রশাসনের দুর্বৃত্তার তীব্র নিন্দা করেছে। গত রাতে করাচির শহরতলির মসজিদগুলিতে নামাজের জামাতগুলি বাড়িতে হয়ে ছিলো। যার কারণে মসজিদটি ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। তবে নগরীর বৃহত ও সুপরিচিত মসজিদের বাইরে পুলিশের উপস্থিতির কারণে শুক্রবার পড়তে আসতে পারেননি বিপুল সংখ্যক মুসল্লী । তবে তাদের মসজিদগুলিতে মুসল্লীগণ এরপরও অনেকেই গিয়েছিলেন। সমীক্ষায় দেখা গেছে, আল-আবাদ মসজিদে জামাতে নামাজে কুরআনের শিক্ষা এখনও শেখানো হচ্ছে। শুক্রবার কার-ই-ইয়াখার ডিফেন্স ফেজের মসজিদে নামাজও অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোহরাব গোথের সমস্ত মসজিদ জুমার নামাজে পূর্ণ এবং মেট্রোলের মসজিদেও জুমার নামাজ রয়েছে। বেশিরভাগ মসজিদে আগের চেয়ে বেশি সংখ্যক নামাজ পড়েছিল।

উর্দু নিউজটির গুজবের বাকি অংশ দেখুনঃ

: تاہم بعض ایس ایچ اوز کی جانب سے ذاتی تشہیر کیلئے مساجد میں نمازیوں کے رش کو دیکھ کر امام مساجد سے اٹھنے کا سلسلہ جاری رہا۔گزشتہ روز تھانہ پیر آباد کے ایس ای اشرافت علی نے بھی مہم میں بڑی تعدادمیں نمازیوں کو ان کے بعد روکنے کی پیش کی جس کے بعد پولیس سے مشتعل افرادکا تصادم ہوا۔ جامع محمد حقانی سیڑھی بابا مزار میں نمازیوں نے باجماعت نماز جمعہ ادا کی ۔ مذکورہ ایس انتقاد و چند روز قبل ایڈیشنل آئی تھی نے بہترین کارکردگی ر ا پرانعام دیا تھا جس کے زعم میں ایس ایچ او نے مسجد میں میں ہنگامہ برپا کیا۔

: کہ جب حکومت کی جانب سے جمعہ کے اجتماع پر پابندی عائد کی گئی تو اس وقت بھائی (مفتی اعظم پاکستان مفتی رفیع خانی) کے علم پر ہم سب دار الافتا میں جمع ہوئے تھے۔ اس وقت ہم نے یہی کہا تھا کہ جولوگ مسجد میں نہیں جاسکیں ، وہ گھروں میں نماز پڑھیں اور جنہیں بلکہ ہر پڑھیں ۔ جس کے بحد آپ کے بعد دوبارہ اجتماع کیا اور اس وقت بھی میرے پاس مولانا مفتی عبدالمنان ، مولا افظل ملی اور مولانا حسین احمر صاحبان بیٹھے ہیں تو ہم نے غور کیا تو مجھ میں آیا کہ گھروں میں نماز جمعہ کی ادائیگی درست نہیں ۔ پہلی بات یہ ہے کہ جتنے بھی انتہا کی عبارتیں دیکھی ہیں تو اس میں میں نظر آیا ہے کہ اگر کی کا چہ فوت ہو جائے تو اس کیلئے عرض ک ل ال مصر م امحام صلون اظم ایران و ا مات اس ک ماه امداد الاحکام جلدنمبر ایک معنی نمبر 783 که سوهر ی وی ا وا یرو دا ک ازت دی ول کی چا آ ار پاس مصروفیت ہے اور بجائے اس کے مسجد میں جا کر جمعہ پڑھیں ، ہم اپنے گھر میں ہی نماز جمعہ پڑھ لیتے ہیں۔ اس قسم کا دروازہ کھلے کا بھی اندیشہ ہے۔ لہزارحان کی طرف ای پا ن ال بل نہیں کہیں گے۔ کیونکہ اب مل مجتہد فیہا ہے۔ وہ انشاء الله ، الله تعالی کے ہاں معذور ہوگا۔ اس کو فاسد یا یوں نہیں کہیں گے کہ اس کی نماز نہیں

: اور بنوری ٹاؤن کے سابق رئیس دار را تا مفتی عبد السلام کا نظامی نے تفصیلی فتوی جاری کر کے لکھا ہے کہ ڈاکٹروں کی ٹی اور انسانی تحقیق قرآن وسنت کے مقابلے میں کوئی جواز نہیں رکھتی ۔ یہ انسانی عقل کی تارس تحقیق ہے۔ قرآن و حدیث وی آسانی کا نتیجہ ہے۔ ان میں غلطی کا امکان نہیں ہے۔ لہذا ہم کسی وہم و شک کی بنیاد پرقرآن وحدیث کی تین آیات کنی وست می ی چش ت یناگا۔

About الفقه الحنفي الفقه الاكبر

বিদগ্ধ মুফতিয়ানে কেরামের দ্বারা পরিচালিত , সকল বাতিলের মুখোশ উন্মোচনে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ , উলামায়ে আহনাফ এবং হানাফি মাজহাবের অনুসারীদের সরবাধুনিক মুখপাত্র ফিকহে হানাফী দ্যা গ্রেট ডটকম। আমাদের কারয্যক্রমঃ- ক) ফিকহে হানাফী দ্যা গ্রেট ডটকম । খ) ফিকহে হানাফী দ্যা গ্রেট অনলাইন রিচার্স সেন্টার । গ) বাতিলের মোকাবেলায় সারা দুনিয়া ব্যাপি ইসলামিক সেমিনার ঘ) এবং মুনাজারায় অংশগ্রহণ । ঙ) হোয়াটএ্যাপ্স, টেলিগ্রাম, ভাইবার & সোমা চ্যাট ম্যাসেঞ্জারে ফিকহে হানাফীঃপ্রশ্ন-উত্তর গ্রুপ। আমাদের ভবিষ্যত পরিকল্পনাঃ- ক) ফিকহে হানাফী দ্যা গ্রেট অফলাইন রিচার্স সেন্টার । খ) ফিকহে হানাফী দ্যা গ্রেট ইউনিভার্সিটি । গ) হানাফী টিভি সহ আরও বহুমুখি প্রকল্প। আমাদের আবেদনঃ- এই বহুমুখি এবং বিশাল প্রকল্প-এর ব্যয়ভার কারও একার পক্ষে বহন করা খুবই দুঃসাধ্য ব্যপার। সুতারাং আপনি নিজে ও আপনার হিতাকাংখি দ্বীনের খেদমতে আগ্রহী বন্ধুদের নিয়ে মাসিক/বাতসরিক ও এককালীন সদস্য হিসেবে সহযোগিতার হাত প্রশস্ত করে এগিয়ে আসবেন ; এটাই আমাদের প্রত্যাশা। সাহায্য পাঠাবার ঠিকানাঃ- ১) সোনালী ব্যাংক লিমিটেড, বয়রা শাখা, খুলনা Account Name: Md. Hedaytullah Account No: 2704501011569 ২) বিকাশঃ- +৮৮০১৯২৩৮৭১২৯৩ ৩) এমক্যাশঃ- +৮৮০১৯২৩৮৭১২৯৩৬ ৪) ডি,বি,বি,এল/রকেটঃ- +৮৮০১৯২৩৮৭১২৯৩৮ Express Money Transfer:- Name Hedaytullah ID NO 6512895339162 সার্বিক যোগাযোগঃ- মুফতি মুফাসসির হিদায়াতুল্লাহ শেখ মোবাঃ- +৮৮০১৯২৩৮৭১২৯৩ fiqhehanafithegreat@gmail.com