কোন ব্যক্তি মারা যাওয়ার কত সময় পরে কবরের প্রশ্নোত্তর শুরু হবে?

মোঃ রুহুল আমিন
প্রশ্ন: মুনকির নকিরের মুয়ামেলা
এক বাংলাদেশি সৌদিতে ইন্তেকালের পর জানাজা পড়ে বক্সে রাখা হয়। একমাস পর বাংলাদেশ আসে ও জানাজা হয়। পরে দাফন করা হয়।
,
আমার জানার বিষয় হচ্ছে যে, মনকির নকিরের প্রশ্নোত্তর, বা কবরের মুয়ামেলা কখন থেকে শুরু হবে?
বক্সে থেকে, না বাংলাদেশে আসার পর দাফনের পর থেকে??

উত্তর প্রদানে কৃতজ্ঞ হবো।

উত্তরঃ
حامدا ومصليا ومسلما، امابعد….

সারা বিশ্বে মুসলিম মাত্রই প্রায় সকলেই এই বিষয়টি সম্পর্কে অবগত রয়েছেন যে কবরে মৃত ব্যক্তিকে তিনটি প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা হবে। প্রশ্ন তিনটি হচ্ছেঃ তোমার রব কে? তোমার দ্বীন কি? এইযে ইনি! যাকে তোমাদের নিকট পাঠানো হয়েছিল, তাঁর পরিচয় কি? এই প্রশ্নগুলোর উত্তরও আমাদের কমবেশী সবার জানা। এ সম্পর্কিত হাদীসটি উল্লেখ করছি তাহলে বিষয়টি বুঝতে সুবিধা হবেঃ


ﻋﻦ ﺍﻟﺒﺮﺍﺀ ﺑﻦ ﻋﺎﺯﺏ ﻋﻦ ﺍﻟﺮﺳﻮﻝ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ : )) ﻓﻴﺄﺗﻴﻪ ﻣﻠﻜﺎﻥ ﺷﺪﻳﺪﺍ ﺍﻻﻧﺘﻬﺎﺭ ﻓﻴﻨﺘﻬﺮﺍﻧﻪ، ﻭﻳﺠﻠﺴﺎﻧﻪ، ﻓﻴﻘﻮﻻﻥ ﻟﻪ : ﻣﻦ ﺭﺑﻚ؟ ﻣﺎ ﺩﻳﻨﻚ؟ ﻣﻦ ﻧﺒﻴﻚ؟ ﻭﻫﻲ ﺁﺧﺮ ﻓﺘﻨﺔ ﺗﻌﺮﺽ ﻋﻠﻰ ﺍﻟﻤﺆﻣﻦ، ﻓﺬﻟﻚ ﺣﻴﻦ ﻳﻘﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﺰ ﻭﺟﻞ : ﻳُﺜَﺒِّﺖُ ﺍﻟﻠّﻪُ ﺍﻟَّﺬِﻳﻦَ ﺁﻣَﻨُﻮﺍْ ﺑِﺎﻟْﻘَﻮْﻝِ ﺍﻟﺜَّﺎﺑِﺖِ ﻓِﻲ ﺍﻟْﺤَﻴَﺎﺓِ ﺍﻟﺪُّﻧْﻴَﺎ ‏[ ﺇﺑﺮﺍﻫﻴﻢ : 27 ‏] ، ﻓﻴﻘﻮﻝ : ﺭﺑﻲ ﺍﻟﻠﻪ، ﻭﺩﻳﻨﻲ ﺍﻹﺳﻼﻡ، ﻭﻧﺒﻴﻲ ﻣﺤﻤﺪ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ، ﻓﻴﻨﺎﺩﻱ ﻣﻨﺎﺩ ﻣﻦ ﺍﻟﺴﻤﺎﺀ : ﺃﻥ ﺻﺪﻕ ﻋﺒﺪﻱ، ﻭﻗﺎﻝ ﻓﻲ ﺍﻟﻌﺒﺪ ﺍﻟﻜﺎﻓﺮ ﺃﻭ ﺍﻟﻔﺎﺟﺮ : ﻭﻳﺄﺗﻴﻪ ﻣﻠﻜﺎﻥ ﺷﺪﻳﺪﺍ ﺍﻻﻧﺘﻬﺎﺭ، ﻓﻴﻨﺘﻬﺮﺍﻧﻪ، ﻭﻳﺠﻠﺴﺎﻧﻪ، ﻓﻴﻘﻮﻻﻥ ﻟﻪ : ﻣﻦ ﺭﺑﻚ؟ ﻓﻴﻘﻮﻝ : ﻫﺎﻩ، ﻫﺎﻩ ﻻ ﺃﺩﺭﻱ، ﻓﻴﻘﻮﻻﻥ ﻟﻪ : ﻣﺎ ﺩﻳﻨﻚ؟ ﻓﻴﻘﻮﻝ : ﻫﺎﻩ، ﻫﺎﻩ ﻻ ﺃﺩﺭﻱ، ﻓﻴﻘﻮﻻﻥ : ﻓﻤﺎ ﺗﻘﻮﻝ ﻓﻲ ﻫﺬﺍ ﺍﻟﺮﺟﻞ ﺍﻟﺬﻱ ﺑﻌﺚ ﻓﻴﻜﻢ؟ ﻓﻼ ﻳﻬﺘﺪﻱ ﻻﺳﻤﻪ، ﻓﻴﻘﺎﻝ : ﻣﺤﻤﺪ، ﻓﻴﻘﻮﻝ : ﻫﺎﻩ، ﻫﺎﻩ ﻻ ﺃﺩﺭﻱ، ﺳﻤﻌﺖ ﺍﻟﻨﺎﺱ ﻳﻘﻮﻟﻮﻥ ﺫﺍﻙ، ﻗﺎﻝ : ﻓﻴﻘﻮﻻﻥ : ﻻ ﺩﺭﻳﺖ ﻭﻻ ﺗﻠﻮﺕ ﻓﻴﻨﺎﺩﻱ ﻣﻨﺎﺩﻱ ﺃﻥ ﻛﺬﺏ ﻋﺒﺪﻱ (
অনুবাদঃ
বারা বিন আযিব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন : আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে একটি জানাযায় অংশ গ্রহণ করেছি … এতে আছে… নবী আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: যখন কোন ব্যক্তিকে কবরে রাখা হবে তখন তার নিকট দু’জন ফেরেশতা আসবে, তারা তাকে বসিয়ে বলবে: তোমার রব কে? সে বলবে আমার রব, ‘আল্লাহ’। তারা বলবে: তোমার দ্বীন কি? সে বলবে: আমার দ্বীন হচ্ছে ‘ইসলাম’। তারা বলবে: এইযে ইনি! যাকে তোমাদের নিকট পাঠানো হয়েছিল, তাঁর পরিচয় কি? সে মুমিন হলে বলবে: ইনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। (মুসনাদে আহমদ ও আবু দাউদ)

ইমাম আবু হানিফা রহঃ তার বিখ্যাত গ্রন্থ আল ফিকহুল আকবারে বলেনঃ
وَسُؤَالُ مُنْكَرٍ وَنَكِيْرٍ حَقٌّ كَائِنٌ فِيْ الْقَبْرِ، وَإِعَادَةُ الرُّوْحِ إِلَى جَسَدِ الْعَبْدِ فِيْ قَبْرِهِ حَقٌّ، وَضَغْطَةُ الْقَبْرِ وَعَذَابُهُ حَقٌّ كَائِنٌ لِلْكُفَّارِ كُلِّهِمْ أَجْمَعِيْنَ وَلِبَعْضِ عُصَاةِ الْمُؤْمِنِيْنَ

অর্থাৎ মুনকার ও নাকীরের প্রশ্ন সত্য, যা কবরের মধ্যে হবে। কবরের মধ্যে বান্দার রূহকে দেহে ফিরিয়ে দেওয়া সত্য। কবরের চাপ এবং কবরের আযাব সত্য, কাফিররা সকলেই এ শাস্তি ভোগ করবে এবং কোনো কোনো পাপী মুমিনও তা ভোগ করবে।’’

কুরআন ও হাদীসের আলোকে মৃত্যুর পরে কিয়ামাতের আগে মধ্যবর্তী সময়ের অবস্থা সম্পর্কে আমরা জানতে পারি। মহান আল্লাহ বলেন:

يُثَبِّتُ اللَّهُ الَّذِينَ آَمَنُوا بِالْقَوْلِ الثَّابِتِ فِي الْحَيَاةِ الدُّنْيَا وَفِي الآَخِرَةِ وَيُضِلُّ اللَّهُ الظَّالِمِينَ وَيَفْعَلُ اللَّهُ مَا يَشَاءُ

‘‘যারা ঈমান এনেছে তাদেরকে আল্লাহ শাশ্বত বাণীতে সুপ্রতিষ্ঠিত রাখবেন ইহজীবনে এবং পরজীবনে এবং যারা জালিম আল্লাহ তাদেরকে বিভ্রান্তিতে রাখবেন। আল্লাহ যা ইচ্ছা তা করেন।’’

এ থেকে জানা যায় যে, ইহজীবনের ন্যায় পরজীবনেও শাশ্বত বাণীর উপর প্রতিষ্ঠার প্রয়োজন আছে। বিভিন্ন হাদীস থেকে জানা যায় যে পরকালীন জীবনের শুরুতে কবরে ‘মুনকার-নাকীর’ নামক মালাকদ্বয়ের প্রশ্নের মাধ্যমে এ প্রতিষ্ঠা প্রমাণিত হবে।

অন্য আয়াতে মহান আল্লাহ বলেন:

وَلَوْ تَرَى إِذِ الظَّالِمُونَ فِي غَمَرَاتِ الْمَوْتِ وَالْمَلائِكَةُ بَاسِطُو أَيْدِيهِمْ أَخْرِجُوا أَنْفُسَكُمُ الْيَوْمَ تُجْزَوْنَ عَذَابَ الْهُونِ بِمَا كُنْتُمْ تَقُولُونَ عَلَى اللَّهِ غَيْرَ الْحَقِّ وَكُنْتُمْ عَنْ آَيَاتِهِ تَسْتَكْبِرُونَ

‘‘যদি তুমি দেখতে, যখন জালিমগণ মৃত্যু যন্ত্রণায় থাকবে এবং মালাকগণ হাত বাড়িয়ে বলবে: ‘তোমাদের প্রাণ বের কর, তোমরা আল্লাহ সম্বন্ধে অন্যায় বলতে ও তাঁর নিদর্শন সম্বন্ধে ঔদ্ধত্য প্রকাশ করতে, সে জন্য আজ তোমাদেরকে অবমাননাকর শাস্তি প্রদান করা হবে।’’

এ আয়াত থেকে মৃত্যুকালীন শাস্তি এবং মৃত্যুর পরেই- সেদিনেই- যে শাস্তি প্রদান করা হবে তার বিষয়ে জানা যায়। অন্য আয়াতে আল্লাহ বলেন:

وَحَاقَ بِآَلِ فِرْعَوْنَ سُوءُ الْعَذَابِ النَّارُ يُعْرَضُونَ عَلَيْهَا غُدُوًّا وَعَشِيًّا وَيَوْمَ تَقُومُ السَّاعَةُ أَدْخِلُوا آَلَ فِرْعَوْنَ أَشَدَّ الْعَذَابِ

‘‘কঠিন শাস্তি পরিবেষ্টন করল ফিরাউনের গোষ্ঠীকে। সকাল সন্ধ্যায় তাদের উপস্থিত করা হয় আগুনের সামনে এবং যেদিন কিয়ামাত ঘটবে সেদিন (বলা হবে:) ফিরাউনের গোষ্ঠীকে প্রবেশ করাও কঠিন শাস্তির মধ্যে।’’

এ কথা স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে যে, কিয়ামাতের পূর্বেও কাফিরগণকে শাস্তি প্রদান করা হবে এবং সকাল-সন্ধ্যায় আগুনের সামনে তাদের উপস্থিত করা হবে।

এখান থেকে আরও একটি বিষয় স্পষ্ট যে, ফেরাউনের লাশ আজও দুনিয়ায় বিদ্যমান, অথচ তাকে প্রত্যহ সকাল সন্ধ্যায় আগুনের শাস্তি দেওয়া হচ্ছে।

এছাড়াও বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ ও নাসাঈ শরীফের এক বর্ণনায় হযরত আনাস রাঃ বলেনঃ
ﻭﻋﻦ ﺃﻧﺲ ﺭﺿﻲ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻨﻪ ﺃﻥ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﻗﺎﻝ : )) ﺇﻥ ﺍﻟﻌﺒﺪ ﺇﺫﺍ ﻭﺿﻊ ﻓﻲ ﻗﺒﺮﻩ، ﻭﺗﻮﻟﻰ ﻋﻨﻪ ﺃﺻﺤﺎﺑﻪ، ﺇﻧﻪ ﻟﻴﺴﻤﻊ ﻗﺮﻉ ﻧﻌﺎﻟﻬﻢ، ﺇﺫﺍ ﺍﻧﺼﺮﻓﻮﺍ : ﺃﺗﺎﻩ ﻣﻠﻜﺎﻥ، ﻓﻴﻘﻌﺪﺍﻧﻪ، ﻓﻴﻘﻮﻻﻥ ﻟﻪ : ﻣﺎ ﻛﻨﺖ ﺗﻘﻮﻝ ﻓﻲ ﻫﺬﺍ ﺍﻟﺮﺟﻞ، ﻣﺤﻤﺪ؟ ﻓﺄﻣﺎ ﺍﻟﻤﺆﻣﻦ، ﻓﻴﻘﻮﻝ : ﺃﺷﻬﺪ ﺃﻧﻪ ﻋﺒﺪ ﺍﻟﻠﻪ ﻭﺭﺳﻮﻟﻪ .. ، ﻭﺃﻣﺎ ﺍﻟﻜﺎﻓﺮ ﺃﻭ ﺍﻟﻤﻨﺎﻓﻖ، ﻭﻓﻲ ﺭﻭﺍﻳﺔ : ﻭﺃﻣﺎ ﺍﻟﻜﺎﻓﺮ ﻭﺍﻟﻤﻨﺎﻓﻖ – ﻓﻴﻘﻮﻝ : ﻻ ﺃﺩﺭﻱ، ﻛﻨﺖ ﺃﻗﻮﻝ ﻣﺎ ﻳﻘﻮﻝ ﺍﻟﻨﺎﺱ ﻓﻴﻪ، ﻓﻴﻘﺎﻝ : ﻻ ﺩﺭﻳﺖ، ﻭﻻ ﺗﻠﻴﺖ ((.. ﺭﻭﺍﻩ ﺍﻟﺒﺨﺎﺭﻱ ﻭﻣﺴﻠﻢ ﻭﺃﺑﻮ ﺩﺍﻭﺩ ﻭﺍﻟﻨﺴﺎﺋﻲ

——- যখন মৃত ব্যক্তিকে কবরে রাখার পর তার আপনজন উঠে আসবে আর সে তাদের জুতার আওয়াজ শুনতে পাবে ; তখন ২জন ফেরেশতা আগমন করবে।

এই বর্ণনা গুলি দ্বারা এটাই বুঝে আসে যে, মৃত ব্যক্তির কবরের প্রশ্ন-উত্তর শুরু হওয়ার জন্য তাকে দাফন জরুরী নয়।
যেমন আজও ফেরাউন কে দাফন করা হয়নি অথবা অপমৃত্যুর কারণে যাদের লাশই পাওয়া যায়নি। তাদেরও প্রশ্ন-উত্তর কোন এক ভাবেই হয়েছে।
আর মূল বিষয় হলো কবরের প্রশ্ন-উত্তর বা শাস্তি অথবা শান্তি দুনিয়াবি এই দেহের সাথে সংশ্লিষ্ট নয় ; রূহ তথা আত্মার সাথে সংশ্লিষ্ট।
তাই এটা কখন?
কত সময় পরে হবে?
আল্লাহই ভালো জানেন।
যেহেতু কুরআন বা হাদীসে এর সু-স্পষ্ট কোন সময় বেধে দেওয়া হয়নি; সেহেতু আমরাও কোন সময় নির্ধারণ না করে মৌলিক বিষয় প্রশ্ন-উত্তরে উপর ঈমান রাখবো। আর এটাই প্রত্যেক মুমিনের দায়িত্ব।
আল্লাহ আমাদের সকলকে সহীহ বুঝ দান করুণ। আমীন।

Copright By: মুফতি মুফাসসির হিদায়াতুল্লাহ্ শেখ

About الفقه الحنفي الفقه الاكبر

বিদগ্ধ মুফতিয়ানে কেরামের দ্বারা পরিচালিত , সকল বাতিলের মুখোশ উন্মোচনে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ , উলামায়ে আহনাফ এবং হানাফি মাজহাবের অনুসারীদের সরবাধুনিক মুখপাত্র ফিকহে হানাফী দ্যা গ্রেট ডটকম। আমাদের কারয্যক্রমঃ- ক) ফিকহে হানাফী দ্যা গ্রেট ডটকম । খ) ফিকহে হানাফী দ্যা গ্রেট অনলাইন রিচার্স সেন্টার । গ) বাতিলের মোকাবেলায় সারা দুনিয়া ব্যাপি ইসলামিক সেমিনার ঘ) এবং মুনাজারায় অংশগ্রহণ । ঙ) হোয়াটএ্যাপ্স, টেলিগ্রাম, ভাইবার & সোমা চ্যাট ম্যাসেঞ্জারে ফিকহে হানাফীঃপ্রশ্ন-উত্তর গ্রুপ। আমাদের ভবিষ্যত পরিকল্পনাঃ- ক) ফিকহে হানাফী দ্যা গ্রেট অফলাইন রিচার্স সেন্টার । খ) ফিকহে হানাফী দ্যা গ্রেট ইউনিভার্সিটি । গ) হানাফী টিভি সহ আরও বহুমুখি প্রকল্প। আমাদের আবেদনঃ- এই বহুমুখি এবং বিশাল প্রকল্প-এর ব্যয়ভার কারও একার পক্ষে বহন করা খুবই দুঃসাধ্য ব্যপার। সুতারাং আপনি নিজে ও আপনার হিতাকাংখি দ্বীনের খেদমতে আগ্রহী বন্ধুদের নিয়ে মাসিক/বাতসরিক ও এককালীন সদস্য হিসেবে সহযোগিতার হাত প্রশস্ত করে এগিয়ে আসবেন ; এটাই আমাদের প্রত্যাশা। সাহায্য পাঠাবার ঠিকানাঃ- ১) সোনালী ব্যাংক লিমিটেড, বয়রা শাখা, খুলনা Account Name: Md. Hedaytullah Account No: 2704501011569 ২) বিকাশঃ- +৮৮০১৯২৩৮৭১২৯৩ ৩) এমক্যাশঃ- +৮৮০১৯২৩৮৭১২৯৩৬ ৪) ডি,বি,বি,এল/রকেটঃ- +৮৮০১৯২৩৮৭১২৯৩৮ Express Money Transfer:- Name Hedaytullah ID NO 6512895339162 সার্বিক যোগাযোগঃ- মুফতি মুফাসসির হিদায়াতুল্লাহ শেখ মোবাঃ- +৮৮০১৯২৩৮৭১২৯৩ fiqhehanafithegreat@gmail.com