আশুরার ফজিলত :  করণীয় ও বর্জনীয়

বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা:) এর হিজরতের স্মৃতি বিজড়িত ইসলামী হিজরী সনের প্রথম মাস  মুহাররম।

পবিত্র মাহে মুহাররমেই  হযরত আদম(আ:) থেকে  হযরত মুহাম্মদ (সা:) পর্যন্ত আম্বিয়ায়ে কেরামদের অনেক বিস্ময়কর ঘটনা প্রবাহ সংঘটিত হয়েছে। এ মাসের ১০ তারিখ অনেক বরকত ও ফজিলত পূর্ণ দিন ‘ইয়াওমেআশুরা’।

একই সাথে অন্যায় ও অসত্যের মুকাবিলায়, জুলুমবাজ ও স্বৈরশাসকের বিরুদ্ধে, ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠার প্রত্যয়ে মজলুম মানবতার অধিকার আদায়ের সংগ্রামে কারবালার প্রান্তরে হযরত হোসাইন ইবনে আলি (রা:) এর মর্মান্তিক শাহাদাত; যা যুগে যুগে সত্যাশ্রয়ী বনী আদমের হৃদয়ে বেদনার প্রলেপ মাখিয়ে চেতনার প্রাচীরে জিহাদের আযান দেয়। সুদীর্ঘ ইতিহাস-ঐতিহ্যের স্মারক পবিত্র মাহে মুহাররম অনেক তাৎপর্যপূর্ণ। বক্ষ্যমান নিবন্ধে-সংক্ষেপে তারই আলোক পাত করার চেষ্টা করা হবে ইনশাআল্লাহ।

আশুরার ফজিলত :  করণীয় ও বর্জনীয়

মুহাররমের তাৎপর্যঃ মুহাররম আরবী শব্দ। এর মূল ধাতু হুরুম বা হারাম। এ দুইয়ের অর্থ মর্যাদাপূর্ণ, সম্মানিত বা নিষিদ্ধ। মর্যাদাপূর্ণ এ কারণে যে, এই মাসে মহান আল্লাহপাক্ এমন কতিপয় বৈপ্লবিক কর্মকান্ড- সাধিত করেছেন যা অন্যান্য মাসের তুলনায় খুবই গুরুত্বপূর্ণ ও মর্যাদাবান। হারাম শব্দের অর্থ নিষিদ্ধ। অর্থাৎ এইমাসে কোন ঝগড়া বিবাদ বা যুদ্ধ বিগ্রহ করা (হারাম) নাযায়েজ বা নিষিদ্ধ। এই নিষিদ্ধ কর্মকাণ্ড থেকে মাসটি পাক ও মুক্ত বলে এ মাসকে পবিত্র ও সম্মানিত মাস বলা হয়।

মুহাররমের ফজিলত:

পবিত্র কুরআন মজীদে আল্লাহ্ পাক চারটি মাসকে পরম সম্মানিত ও পবিত্র বলে ঘোষণা করেছেন। ইরশাদ হয়েছে- “তোমরা জেনে রাখ এই চারটি মাস বড় ফজিলত ও বরকতপূর্ণ, তোমরা এই মাসগুলোতে পাপাচার করে নিজেদের উপর জুলুম করোনা।”
উল্লেখিত চার মাস যথা- মুহাররম, রজব, জিলহজ্ব, জিলক্বদ। তন্মধ্যে অন্যতম পবিত্র মাস হলো মুহাররম। অতএব, এই মাসে নেক আমল ও ইবাদত বন্দেগিতে মশগুল থাকলে যে পরিমাণ সওয়াব লাভ হবে তা সহজেই অনুমেয়।
এই মুহাররম মাসের গুরুত্ব পবিত্র হাদীস শরীফেও বর্ণিত হয়েছে। হাদীসের বিখ্যাত গ্রন্থ মুসলিম ও আবুদাউদ শরীফে হযরত আবু হুরাইরা (রা:) থেকে বর্ণিত রাসুলুল্লাহ (সা:)ইরশাদ করেছেন- রমজানের পর রোজার জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ হলো আল্লাহর মাস মুহাররম। অপর এক রিওয়ায়েতে বর্ণিত হয়েছে- জনৈক সাহাবী হুজুর (সা:) এর নিকট জিজ্ঞেস করলেন, ফরজ নামাজের পর সর্বোত্তম নামাজ কোনটি? উত্তরে ইরশাদ হয়েছে তাহাজ্জুদের নামাজ। সাহাবী পুনরায় জিজ্ঞেস করলেন, রমজানের পর রোজার সর্বোত্তম মাস কোনটি? রাসূল(সা:) ইরশাদ করেন, রমজানের পর রোজার সর্বোত্তম মাস মাহে মুহাররম।
হযরত আলী (রা:) কে জনৈক ব্যক্তি প্রশ্ন করেছেন, রমজানের পর এমন কোন মাস আছে যাতে আমাকে রোজা রাখার আদেশ দিবেন?
তিনি বললেন, আমার উপস্থিতিতে ঠিক একই রকম প্রশ্ন জনৈক ব্যক্তি হুজুর (সা:) এর খেদমতে পেশ করেছিলেন। রাসুল (সা:) প্রতি উত্তরে ইরশাদ করেন, মাহে রমজানের পর যদি রোজা রাখতে চাও, তাহলে মুহাররম মাসে রেখো। কেননা এটি আল্লাহর মাস। এ মাসে এমন একটি দিন আছে, যে দিন আল্লাহ রাব্বুল আলামিন একটি জাতির তাওবা কবুল করেছেন। ভবিষ্যতেও সেই দিনে অন্যান্য জাতির তাওবা কবুল করবেন।

১০ই মুহাররম আশুরা; ঐতিহাসিক ঘটনা প্রবাহঃ

১০ই মুহাররম ইয়াওমে আশুরা।
এই দিনটি অত্যন্ত মর্যাদাবান ও
তাৎপর্যপূর্ণ। হযরত আদম (আ:)
এর যামানা থেকে উম্মতি মুহাম্মদী
(সা:) এর এই যুগ পর্যন্ত আশুরার
মাহাত্ম্য ও শ্রেষ্ঠত্ব সুস্পষ্ট ভাবে প্রমাণিত।
পবিত্র হাদীস গ্রন্থ বুখারী শরীফের বিখ্যাত
ব্যাখ্যা গ্রন্থ “উমদাতুল ক্বারীর” লিখক
আল্লামা বদরুদ্দিন আইনি (রহ:) এর
ভাষ্য অনুযায়ী ঐতিহাসিক ঘটনাবলী এবং
আল্লাহ তা’লা ঐদিন দশজন বিখ্যাত
নবীকে সম্মান দান করেছেন বিধায়
দিনটি আশুরার দিন হিসেবে খ্যাত।
একদা সাহাবীগণ হযরত রাসূলে করীম
(সা.) কে জিজ্ঞেস করলেন, ইয়া
রাসুলুল্লাহ (সা.)!
আশুরার দিন কি সকল দিবস হতে
উত্তম? তিনি উত্তরে ইরশাদ করেন,
হ্যাঁ উত্তম। আসমান, জমিন,
পাহাড়-পর্বত, লৌহে মাহফুজ,
নদী-সাগর, আদম-হাওয়া এবং
জান্নাত ও জাহান্নাম ঐদিনই সৃষ্টি করা
হয়েছে।

দশজন নবীর ঐতিহাসিক ঘটনা:

১। হযরত ইকরামার (রা:) বর্ণনা মতে
হযরত আদম (আ:) এর দোয়া আল্লাহ
তা’আলা ঐদিন কবুল করেছেন এবং
ঐদিন তিনি জান্নাতে প্রবেশ করেছেন
এবং ঐ দিনই তিনি দুনিয়াতে জন্মগ্রহণ
করেছেন।
২। এই দিন হযরত ইবরাহীম (আ:)
জন্ম লাভ করেন।
৩। হযরত ইউনুস (আ:) মাছের পেট
থেকে মুক্তি লাভ করেন।
৪। হযরত ইউসুফকে (আ:) কুয়া থেকে
 বের করা হয়।
৫। হযরত নূহ (আ:) এর কিস্তি
মহাপ্লাবন থেকে মুক্তি লাভ করে জুদী
পর্বতে এসে অবতরণ করে।
৬। হযরত আইয়ুব (আ:) তাঁর জটিল
রোগ থেকে আরোগ্য লাভ করেন।
৭। হযরত মুসা (আ:) কে আল্লাহ
তা’আলা এই দিন ফেরআউনের বিরুদ্ধে
 সাহায্য করেছেন। নীল নদের বুকে তার
 জন্য রাস্তা করে দিয়েছেন এবং
ফেরআউনের সৈন্য বাহিনীকে ডুবিয়ে
মেরেছেন।
৮। হযরত দাউদ (আ:) এর তাওবা
কবুল হয় এবং ইয়াকুব (আ:) কে
দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দেওয়া হয়।
৯। হযরত ঈসা (আ:) আল্লাহর অসীম
 কুদরতে পিতার ঔরশ ব্যতীত মাতৃগর্ভ
হতে জন্মলাভ করেন এবং এই দিনই
তাঁকে বনী ইসরাইল এর হাত থেকে
আসমানে উঠিয়ে নেওয়া হয়।
১০। রাসুলুল্লাহ (সা:) এর অগ্র-পশ্চাতের
সকল কমতি মাফ করে দেওয়া হয়।
ঐ দিন হযরত সুলাইমান(আ:)
সাম্রাজ্যের রাজত্ব লাভ করেন।
হযরত ইদ্রিস (আ:) জান্নাতে
প্রবেশাধিকার লাভ করেন।
এছাড়া নবী দৌহিত্র হযরত হোসাইন
ইবনে আলী (রা:) তাঁর সাথী সহচরগণ
ইয়াজিদ বাহিনীর হাতে ঐতিহাসিক 
কারবালার প্রান্তরে নির্মমভাবে শাহাদাত
বরণ করেন। কারবালার এই মর্মান্তিক
বিষাদপূর্ণ ঘটনা মুসলিম জাতির হৃদয়ে
এক করুণ বেদনার ছাপএঁকে দিয়েছে।
সুতরাং কারবালার এই মর্মন্তুদ শাহাদাতের
 ইতিহাস প্রত্যেক মুমিনকে বেদনাতুর করে
তোলে। (উমদাতুল কারী ১১ খ/
১১৭-১৮ পৃঃ)
তবে এটা স্মরণ রাখা দরকার যে,
কারবালার ঘটনা স্মরণ করে বরতমানে
তাজিয়া বা যে শোক মিছিল বের করা
হয় ; এর সংগে আশুরা বা ইসলামের
কোন সম্পর্ক নেই।

ইয়াওমে আশুরায় রোজা

রাখার ফজিলত:

 আশুরার দিনে রোজা ও ইবাদত
বন্দেগীতে মশগুল থাকার ফজিলত ও
গুরুত্ব অপরিসীম। ইমাম আহমদ ইবনে
হাম্বল (রহ.) হযরত ইবনে আব্বাস
(রা:) থেকে বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ
(সা:) মদিনায় হিজরতের পর দেখলেন
 যে, পবিত্র আশুরার দিন ইহুদীরা
রোজা পালন করছে। তিনি জিজ্ঞেস
করলেন, এ দিন তোমরা কেন রোজা
পালন কর?
 তাঁরা উত্তর দিল, এটি অত্যন্ত
মর্যাদাবান ও পবিত্র দিন। এদিন
আল্লাহ বনী ইসরাঈলকে তাঁদের দুশমন
ফিরআউনের কবল থেকে মুক্ত
করেছিলেন এবং ফিরআউন ও তাঁর
দলকে নীল নদে ডুবিয়ে চিরতরে খতম
করে দিয়েছেন। এজন্য মুসা আ.
এদিন শুকরিয়া স্বরূপ রোজা
রেখেছিলেন। রাসুলুল্লাহ (সা:) বলেন,
মুসা (আ:)- এর সাথে তোমাদের
চেয়ে আমরা অধিক নিকটের ও
হকদার। অতঃপর হুজুর (সা:) রোজা
রাখলেন এবং সকলকে রোজা রাখার
 নির্দেশ দান করলেন। (বুখারী-
মুসলিম/তাফসীরে ইবনে কাসির ১ম খ/
 ৫৭পৃঃ)
 উম্মুল মুমিনীন হযরত হাফসা (রা:)
 থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, চারটি
আমল হুজুর (সা:) কখনো ত্যাগ
করেননি।
 ১) আশুরা দিনের রোজা, ২)
জিলহজ্বের প্রথম ০৯ দিনের রোজা,
৩) প্রতি মাসে তিন দিন রোজা,
৪) ফজরের দুই রাকাত সুন্নাত নামাজ।
অপর একটি হাদীসে রাসূলে পাক(সা:)
 ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি মুহাররম
মাসে আশুরার দিন একটি রোজা
রাখবে, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে দশ
হাজার শহীদ ও দশ হাজার হাজীর
সওয়াব দান করবেন।
 হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস
(রা:) থেকে বর্ণিত হাদীসে রাসুলে
পাক সা.ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি
আশুরার দিন রোজা রাখে আল্লাহ
তা’আলা তাকে দশ হাজার ফেরেশতার
নেক আমলের সওয়াব দান করেন।
 হযরত ইবনে আব্বাস (রা:) থেকে
বর্ণিত রাসুলে পাক (সা:) ইরশাদ
করেন, তোমরা আশুরার দিন রোজা
রাখ এবং এ ব্যাপারে ইহুদীদের বিপরীত
 করে তৎসঙ্গে আশুরার পূর্বে বা পরে
আরো একটি রোজা পালন করবে।
অর্থাৎ ইহুদীরা রোজা রাখে মুহাররমের
১০ তারিখ। কিন্তু মুলসমানদের সাথে
ইহুদীদের রোজা মিল না হওয়ার জন্য
মুসলমানরা হয়তো ৯ তারিখ ও ১০
তারিখ অথবা ১০ তারিখ ও ১১ তারিখ
দুইটি রোজা পালন করবে।
 আশুরার দিনের গুরুত্ব ও মাহাত্ম্য
বক্ষমান নিবন্ধে আলোচিত হাদীস ও
ঘটনাবলী দ্বারা সহজেই অনুমেয়।
এর গুরুত্ব ও মাহাত্ম্য কারবালার
ঘটনার বহু পূর্ব যামানা থেকেই
বিদ্যমান। কিন্তু রূঢ় হলেও সত্য যে,
ঐতিহাসিক ঘটনাবলী না জানার
কারনে শিয়াদের ন্যায় সাধারণ
শিক্ষিত মুসলমানরাও আশুরার দিনকে
শুধু কারবালার বেদনাদায়ক ঘটনার
সাথে সম্পৃক্ত করে আসল ফজিলত
ও মরতবা থেকে সরে দাঁড়িয়েছে।
 এটি ঠিক নয়। আশুরার করণীয়
কাজগুলো সম্পাদন করা প্রত্যেক
মুসলিম নর-নারীর কর্তব্য। আশুরার
দিনে নফল নামাজ, তেলওয়াতে
কুরআন, রোজাদারদের ইফতারী
করানো এবং সামর্থ অনুযায়ী
পরিবার-পরিজনদের জন্য প্রয়োজনের
তুলনায় অধিক পরিমাণ খরচ করাও
সওয়াব। এছাড়া নিজের গুনাহ ও
পাপ কাজের জন্য বিনয় সহকারে
বেশি বেশি করে তাওবা ইস্তেগফার
করা। কারণ এ মাসে তাওবা কবুল
হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

আশুরার দিনে বর্জনীয়:

 এই দিনটি উম্মতে মুহাম্মদী (সা:)
এর জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। আমাদের
আনন্দ, বেদনা, ভালবাসা-মমতা ও
মহান প্রভু আল্লাহর ইবাদতের সঙ্গে
একীভূত হয়ে আছে। কিন্তু আমাদের
সমাজে কুসংস্কার আশুরাকে ঘিরে
রয়েছে। যা শিয়া ও নাসেবী সম্প্রদায়
থেকে উদ্ভুত।
 ইসলামী শরীয়তে যা বিদআত,
নাজায়েয বলে ঘোষণা দিয়েছে।
আশুরা আসলে দেশের প্রায় এলাকায়
দেখতে পাওয়া যায় যে, হযরত ইমাম
হোসাইন (রা:) ও হযরত হাসান (রা:)
 কে উপলক্ষ করে নানা রকম অমানবিক,
অযৌক্তিক কার্যকলাপ সংঘটিত হচ্ছে।
 যেমন- জারিগান, পুঁথিপাঠ, হালুয়া,
রুটি বিতরণ, কৃত্রিম শোকে মুহ্যমান
হয়ে কালো কাপড় পরিধান, শূন্যপদে
দিন কাটানো, মাথায় টুপি ব্যবহার না
করে লাল কাপড় পেঁচানো, নিরামিষ
আহার, হযরত ইমাম হোসাইনের
মুহাব্বতে ভাড়াটিয়া লোক দ্বারা নিজ
বক্ষে, পিঠে ছুরিকাঘাত করা, হায়
হাসান! হায় হোসাইন! হায় আলী!
ইত্যাদি বলে বিলাপ করা। পরস্পরে
রক্তারক্তির মাধ্যমে কারবালার
মর্মান্তিক ঘটনাকে অলীক ও
বিকৃতরূপে রূপায়িত করা। কথিত
‘হাফত দানা’ পাকানো নিজের শিশু
সন্তানদের না দিয়ে মৌলভী-মুন্সিদের
জন্য অপেক্ষা করা ইত্যাদি সব
রকমের কর্মকান্ড- ইসলামে নাযায়েজ।
 সকল জ্ঞানীদের নিকট আমাদের
জিজ্ঞাসা, সারা বছর কোন নামাজ,
রোজা, ইসলামের হুকুম আহকাম
পালন না করে ১০ই মুহাররম-এ ব্লেড
বা ছুরি দিয়ে বুকে আঘাত করে তাতে
গ্লিসারিন মেখে হায় হাসান! হায়
হোসাইন! বলে বুকে চাপড় মারতে
থাকলে কি নবী পাক ও  হযরত
হাসান-হোসাইনের প্রিয়ভাজন হওয়া
যাবে?
 জারিগান, হালুয়া-রুটি, কালো
কাপড় পরিধান ও বিলাপ করলে
কি শহীদানে কারবালার রুহের
মাগফিরাত হবে? বলতে হবে অবশ্যই না।
 সুতরাং, আশুরার মাহাত্ম্য ও
মর্যাদা উপলব্ধি করে সমাজ ও
পরিবারের সর্বক্ষেত্রে আল্লাহর
আনুগত্য স্বীকার করা, যাবতীয়
কুসংস্কার মুক্ত, হক ও ন্যায়ের
পথে অবিচল থাকার জন্য আমরা
সকলেই সচেষ্ট হই। অন্যায় ও
অসত্যের মুকাবিলায় হক ও
ইনসাফপূর্ণ সমাজ প্রতিষ্ঠায়
হুসাইনী চেতনায়, শাহাদাতের
প্রেরণায় উজ্জ্বীবিত হই।
 তাহলেই আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের
সন্তুষ্টি ও রেজামন্দি হাসিল করা
সম্ভব হবে।
 আল্লাহ আমাদের সকলকে
সকল প্রকার বেদাত থেকে বেচে
থেকে আশুরার ফজিলত পূর্ণ
আমল করার তাওফিক দান করুক।
আমিন।

Copyright By: মুফতি মুফাসসির হিদায়াতুল্লাহ শেখ

About الفقه الحنفي الفقه الاكبر

বিদগ্ধ মুফতিয়ানে কেরামের দ্বারা পরিচালিত , সকল বাতিলের মুখোশ উন্মোচনে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ , উলামায়ে আহনাফ এবং হানাফি মাজহাবের অনুসারীদের সরবাধুনিক মুখপাত্র ফিকহে হানাফী দ্যা গ্রেট ডটকম। আমাদের কারয্যক্রমঃ- ক) ফিকহে হানাফী দ্যা গ্রেট ডটকম । খ) ফিকহে হানাফী দ্যা গ্রেট অনলাইন রিচার্স সেন্টার । গ) বাতিলের মোকাবেলায় সারা দুনিয়া ব্যাপি ইসলামিক সেমিনার ঘ) এবং মুনাজারায় অংশগ্রহণ । ঙ) হোয়াটএ্যাপ্স, টেলিগ্রাম, ভাইবার & সোমা চ্যাট ম্যাসেঞ্জারে ফিকহে হানাফীঃপ্রশ্ন-উত্তর গ্রুপ। আমাদের ভবিষ্যত পরিকল্পনাঃ- ক) ফিকহে হানাফী দ্যা গ্রেট অফলাইন রিচার্স সেন্টার । খ) ফিকহে হানাফী দ্যা গ্রেট ইউনিভার্সিটি । গ) হানাফী টিভি সহ আরও বহুমুখি প্রকল্প। আমাদের আবেদনঃ- এই বহুমুখি এবং বিশাল প্রকল্প-এর ব্যয়ভার কারও একার পক্ষে বহন করা খুবই দুঃসাধ্য ব্যপার। সুতারাং আপনি নিজে ও আপনার হিতাকাংখি দ্বীনের খেদমতে আগ্রহী বন্ধুদের নিয়ে মাসিক/বাতসরিক ও এককালীন সদস্য হিসেবে সহযোগিতার হাত প্রশস্ত করে এগিয়ে আসবেন ; এটাই আমাদের প্রত্যাশা। সাহায্য পাঠাবার ঠিকানাঃ- ১) সোনালী ব্যাংক লিমিটেড, বয়রা শাখা, খুলনা Account Name: Md. Hedaytullah Account No: 2704501011569 ২) বিকাশঃ- +৮৮০১৯২৩৮৭১২৯৩ ৩) এমক্যাশঃ- +৮৮০১৯২৩৮৭১২৯৩৬ ৪) ডি,বি,বি,এল/রকেটঃ- +৮৮০১৯২৩৮৭১২৯৩৮ Express Money Transfer:- Name Hedaytullah ID NO 6512895339162 সার্বিক যোগাযোগঃ- মুফতি মুফাসসির হিদায়াতুল্লাহ শেখ মোবাঃ- +৮৮০১৯২৩৮৭১২৯৩ fiqhehanafithegreat@gmail.com