মু’তাজিলাদের আক্বিদায় বিশ্বাস স্থাপনকারি ও রসুল সাঃ এর ২০০+ হাদীস অ-স্বীকারকারিঃ ভন্ড আমীর হামজার ভন্ডামীর দলীল ভিত্তিক জবাব।

বরাবর
মাননীয় মুফতি সাহেব হাফিযাহুল্লাহ
দারুল ইফতা ওয়াল বুহুসিল ইসলামিয়া
ধামরাই, ঢাকা ।
প্রশ্নঃ আমির হামজা নামক এক বক্তার ওয়াজে শুনলাম কবিরা গুনাহ কারী মুসলমান যদি তওবা ছাড়া মারা যায় তাহলে সে চিরস্থায়ী জাহান্নামী হবে ।
এখন আমার জানার বিষয় হলো কোরআন হাদিসের আলোকে কথাটা কি সঠিক? দলিল সহ বিস্তারিত জানিয়ে বাধিত করলে কৃতজ্ঞ থাকব ।
নিবেদক
Shahed Al Hanafi
দিরাই, সুনামগঞ্জ

দেখুনঃ সেই ভিডিও টি

উত্তরঃ যুগে যুগে ইসলামের মধ্যে বহু বাতিল ফিরকার আবির্ভাব হয়েছে । তার মাঝে প্রাচীনতম ফিরকা হলো “মু’তাজিলা সম্প্রদায়” । এরাই প্রথম সমস্ত সাহাবা (রাঃ), তাবেয়ি (রঃ) এবং আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের বিপরীত এই ভ্রান্ত মতবাদের আবিষ্কার করে যে, “কবিরা গুনাহ কারী মুমিন তওবা ব্যতীত যদি মারা যায় তাহলে চিরস্থায়ী জাহান্নামী হবে” ।
(সূত্রঃ শরহুল আ’কাঈদিন নাসাফিয়্যা, নাসরুল ফাওয়ায়েদ পৃঃ ১৬২)
আর এ কথাটিই উক্ত বক্তা বলেছেন যা সুস্পষ্ট গুমরাহী ।
কুরআন-সুন্নাহ ও ইজমার ভিত্তিতে মুতাওয়াতির ভাবে প্রমাণিত যে, কবিরা গুনাহ কারী মুমিন চিরস্থায়ী জাহান্নামী হবে না । তার বিষয়টি আল্লাহর ইচ্ছাধীন থাকবে । পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ
“إن الله لا يغفر أن يشرك به و يغفر ما دون ذلك لمن يشاء”
অর্থঃ নিঃসন্দেহে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করবেন না, যে লোক তাঁর সাথে শরীক করে । তিনি ক্ষমা করেন এর নিম্ন পর্যায়ের পাপ, যার জন্য তিনি ইচ্ছা করেন ।
(সূরা নিসা আঃ 48 ও 116)
এ আয়াত উল্লেখ করে আল্লামা সদরুদ্দিন আল-হানাফী (রঃ) বলেনঃ
فالمشرك لا ترجى له المغفرة لأن الله نفى عنه المغفرة. وما سواه من الذنوب في مشيئة الله. إن شاء غفر له و إن شاء عذبه.
অর্থঃ অতএব মুশরিকের জন্য ক্ষমার আশা করা যায় না । কেননা আল্লাহ মুশরিকের জন্য ক্ষমাকে বাতিল করেছেন । আর শির্ক ছাড়া যত গুনাহ আছে তা আল্লাহর ইচ্ছাধীন থাকবে । যদি চান ক্ষমা করবেন, অথবা শাস্তি দিবেন (অপরাধ পরিমাণ) ।
(শরহুল আকিদাতিত ত্বহাবিয়্যা পৃঃ২৫১)
অপর এক আয়াতে আল্লাহ বলেনঃ
وعد الله المؤمنين و المؤمنات جنات.
অর্থঃ আল্লাহ ঈমানদার পুরুষ ও নারীদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন জান্নাতের ।
(সূরা তাওবা ৭২)
এ আয়াতে আল্লাহ তা’আলা মুমিন নারী পুরুষদের জন্য জান্নাতের সুসংবাদ দিয়েছেন কোনরূপ শর্ত ছাড়াই শুধুমাত্র ঈমানের কারণেই ।
আরো অনেক আয়াত এ বিষয়ের প্রমাণ বহন করে, যার সব এখানে উল্লেখ করলে লেখা দীর্ঘ হবে তাই আর আয়াত না এনে হাদিস শরীফ থেকে কিছু বর্ণনা উল্লেখ করছি ।
-وعن عبادة بن الصامت قال قال رسول الله ﷺ : من شهد أن لا إله الا الله وحده لا شريك له وأن محمدا عبده ورسوله وأن عيسى عبد الله ورسوله وابن امته وكلمته ألقاها إلى مريم وروح منه والجنة والنار حق أدخله الله الجنة على ما كان من العمل. متفق عليه

উবাদাহ্ ইবনুস্ সামিত (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ:

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: যে লোক (অন্তরের সাথে) এ ঘোষণা দিবে, “আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন ইলাহ নেই, তাঁর কোন শারীক নেই, মুহাম্মাদ (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহর বান্দা ও তাঁরই রসূল এবং বিবি মারইয়াম-এর ছেলেও [‘ঈসা (আঃ)] আল্লাহর বান্দা ও তাঁরই রসূল, তাঁর বান্দীর সন্তান ও আল্লাহর কালিমা- যা তিনি মারইয়াম-এর প্রতি প্রেরণ করেছিলেন এবং আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রেরিত ‘রূহ’, আর জান্নাত-জাহান্নাম সত্য- তার ‘আমাল যা-ই হোক না কেন আল্লাহ তা’আলা তাকে অবশ্যই জান্নাতে প্রবেশ করাবেন।
[বুখারী হাঃ নং ৩৪৩৫, মুসলিম হাঃ নং ৪৬, (দারু ইবনিল যাওজী), মিশকাতুল মাসাবীহ পৃঃ 14]

  • وعن أبي ذر قال أتيت النبي ﷺ وعليه ثوب أبيض وهو نائم ثم أتيته وقد استيقظ فقال : ما من عبد قال لا إله الا الله ثم مات على ذلك الا دخل الجنة قلت وإن زنى وإن سرق؟ قال : وإن زنى وإن سرق. قلت وإن زنى وإن سرق؟ قال : «وإن زنى وإن سرق قلت وإن زنى وإن سرق؟ قال : «وإن زنى وإن سرق على رغم أنف أبي ذر. وكان أبو ذر إذا حدث بهذا قال وإن رغم أنف أبي ذر. متفق عليه

আবূ যার গিফারী (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ:

তিনি বলেন, আমি (একবার) নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর খিদমতে পৌঁছলাম। তিনি একটি সাদা কাপড় পরিহিত অবস্থায় ঘুমিয়েছিলেন। আমি ফেরত চলে এলাম। অতঃপর পুনরায় তাঁর নিকট গেলাম। তখন তিনি জেগে ছিলেন। তিনি (আমাকে দেখে) বললেন, যে ব্যক্তি (অন্তরের সাথে) ‘লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হ’ বলবে আর এ বিশ্বাসের উপর তার মৃত্যু হবে, সে অবশ্যই জান্নাতে প্রবেশ করবে। আমি বললাম, সে চুরি ও ব্যভিচার (এর মত বড় গুনাহ) করে থাকে তবুও? রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ সে চুরি ও ব্যভিচার করলেও। আমি পুনরায় জিজ্ঞেস করলাম, চুরি ও ব্যভিচার করার পরও? নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হাঁ, চুরি ও ব্যভিচারের ন্যায় গুনাহ করলেও। আবূ যার-এর নাক ধূলায় মলিন হলেও। বর্ণনাকারী বলেন যখনই আবূ যার (রাঃ) এ হাদীসটি বর্ণনা করতেন (গৌরবের সাথে) এ শেষ বাক্যটি ‘আবূ যার-এর নাক ধুলায় মলিন হলেও’ অবশ্যই বর্ণনা করতেন।
[বুখারী হাঃ নং ৫৮২৭, মুসলিম হাঃ নং ১৫৪ (দারু ইবনিল যাওজী), মিশকাতুল মাসাবীহ পৃঃ 14 )

وعن عثمان قال قال رسول الله ﷺ : من مات وهو يعلم أنهٗ لا إله الا الله دخل الجنة. رواه مسلم

উসমান (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ:

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন : যে ব্যক্তি (খাঁটি মনে) এ বিশ্বাস নিয়ে মারা যাবে যে, “আল্লাহ্ ছাড়া প্রকৃত কোন ইলাহ নেই” সে অবশ্যই জান্নাতে যাবে।
[মুসলিম শরীফ ১/৪১ (আশরাফিয়া) হাঃ নং ৪৩ (দারু ইবনিল যাওজী), মিশকাতুল মাসাবিহ পৃঃ 15]

وعن جابر قال : قال رسول الله ﷺ : ثنتان موجبتان قال رجل يا رسول الله ما الموجبتان؟ قال : من مات يشرك بالله شيئا دخل النار ومن مات لا يشرك بالله شيئا دخل الجنة. رواه مسلم.
ذكر في المشكوة بهذا اللفظ.

জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ:

রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: দু’টি বিষয় দু‘টি জিনিসকে (জান্নাত ও জাহান্নামকে) অনিবার্য করে দেয়। এক সহাবী জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রসূল! এ দু‘টি বিষয় কি? তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, যে আল্লাহর সাথে কাউকে শারীক করে মৃত্যুবরণ করেছে সে অবশ্যই জাহান্নামে প্রবেশ করবে। আর যে আল্লাহর সাথে কাউকে শারীক না করে মৃত্যুবরণ করেছে সে অবশ্যই জান্নাতে প্রবেশ করবে।
[মুসলিম শরীফ ১/৬৬ ( আশরাফিয়া) হাঃ নং ১৫১ (দারু ইবনিল যাওজী), মিশকাতুল মাসাবিহ পৃঃ 15]

উল্লেখিত আয়াত ও হাদীসসমূহ দ্বারা সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয় যে, মুমিন ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবেই ।‌ তবে যদি গুনাহ করে থাকে তাহলে তার ফায়সালা আল্লাহর ইচ্ছাধীন থাকবে । হয়তো ক্ষমা করে জান্নাতে দিবেন অথবা অপরাধ পরিমাণ শাস্তি দিয়ে জান্নাতে দিবেন । উল্লেখিত হাদীস সমূহ ব্যতীতও আরো বহু সংখ্যক হাদিস এ ব্যাপারে বর্ণিত হয়েছে । যার সংখ্যা এত অধিক যে, মুহাক্কিক উলামাগন সেগুলোকে অকাট্য প্রমাণিত বলেছেন ।
আল্লামা সদরুদ্দিন আল-হানাফী (রঃ) বলেনঃ
فإن النصوص المتواترة قد دلت على أنه يخرج من النار من في قلبه مثقال ذرة من إيمان.
অর্থঃ কেননা অকাট্য প্রমানিত দলিল সমূহ সুনিশ্চিতভাবে একথা প্রমাণ করে যে, যার অন্তরে অণু পরিমাণ ঈমান থাকবে তাকেই জাহান্নাম থেকে বের করা হবে ।
(শরহুল আকিদাতিত তহাবিয়্যা পৃঃ ২৪২)

আর ইমাম ত্বহাবী (রঃ) বলেনঃ
و أهل الكبائر من أمة محمد صلى الله عليه و سلم في النار لا يخلدون إذا ماتوا وهم موحدون و إن لم يكونوا تائبين بعد أن قوا الله عارفين. و هم في مشيئته و حكمه. إن شاء غفر لهم و عفا عنهم بفضله. كما ذكر عز و جل في كتابه ” و يغفر ما دون ذلك لمن يشاء ” و إن شاء عذبهم في النار بعدله. ثم يخرجهم منها برحمته و شفاعة الشافعين من أهل طاعته. ثم يبعثهم إلى الجنة.
অর্থঃ উম্মতে মুহাম্মদীর (সাঃ) কবিরা গুনাহ কারীগণ জাহান্নামে চিরস্থায়ী হবে না যখন তারা একত্ববাদে বিশ্বাসী হয়ে মারা যাবে । যদিও তওবা না করেই আল্লাহর সাথে সাক্ষাত করে (তথাঃ মারা যায়) । তারা আল্লাহর ইচ্ছাধীন থাকবে । যদি তিনি চান তবে স্বীয় অনুগ্রহে তাদের ক্ষমা করবেন ।
যেমনটা আল্লাহ তায়ালা তাঁর কিতাবে উল্লেখ করেছেনঃ “আর তিনি শির্ক ব্যতীত অন্যান্য গুনাহ্ যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করেন ।”
(সূরা নিসা 48)
আর যদি আল্লাহ চান স্বীয় ইনসাফের ভিত্তিতে তাদের শাস্তি দিবেন । অতপর নিজ অনুগ্রহে ও তার আনুগত্যশীল সুপারিশকারীদের সুপারিশে তাদের জাহান্নাম থেকে বের করে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন ।
(সূত্রঃ শরহুল আকিদাতিত তহাবিয়্যা পৃঃ 294, আকিদাতুত তহাবী)
বিঃদ্রঃ উল্লেখিত বক্তব্যে উম্মতে মুহাম্মদী দ্বারা শুধু মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উম্মত উদ্দেশ্য নয় বরং এর মাঝে পূর্ববর্তী সকল নবী আলাইহিমুস সালামগণের উম্মতও শামিল । কারণ হাদিসে বর্ণিত হয়েছেঃ
أن النبي صلى الله عليه و سلم قال: يخرج من النار من كان في قلبه مثقال ذرة من الإيمان.
অর্থঃ রাসূল (সাঃ) বলেন, যার অন্তরে অণু পরিমাণ ঈমান থাকবে তাকে জাহান্নাম থেকে বের করা হবে ।
(সূত্রঃ জামে’ আত-তিরমিযী ২/৮২, হাদিস নং ২৫৯৮, শরহুল আকিদাতিত ত্বহাবিয়্যা পৃঃ 294)
আর এই মাসআলায় আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের সমস্ত উলামাগণ একমত ।
আল্লামা সদরুদ্দিন আল-হানাফী (রঃ) বলেনঃ
و متفقون على أنه لا يخرج من الإيمان و الإسلام . و لا يدخل في الكفر . و لا يستحق الخلود مع الكافرين . كما قالت المعتزلة فإن قولهم باطل أيضا .
অর্থঃ আহলে সুন্নত ওয়াল জামা’আতের সকলেই এ ব্যাপারে একমত যে, কবিরা গুনাহ কারী ঈমান ও ইসলাম থেকে বের হবে না এবং কুফুরিতেও প্রবেশ করবে না । কাফেরদের সাথে জাহান্নামেও চিরস্থায়ী হবে না । যেমনটা মু’তাজিলারা বলে । আর তাদের বক্তব্যটি ভ্রান্ত ।
(সূত্রঃ শরহু আকিদাতিত ত্বহাবিয়্যা পৃঃ 246)
উল্লেখিত দলিল-প্রমানের ভিত্তিতে সুনিশ্চিতভাবে প্রমাণিত হলোঃ কবিরা গুনাহ কারী কাফেরদের মত চিরস্থায়ী জাহান্নামী হবে না, বরং তারাও জান্নাতে প্রবেশ করবে ।
অতএব যে বা যারা এর বিরোধিতা করে তারা সুস্পষ্ট গুমরাহিতে নিমজ্জিত । কেননা এসম্পর্কে সহীহ হাদীসের সংখ্যাই দুই শতাধিক।
এজাতীয় ফেতনা প্রচার করে বিভ্রান্তি সৃষ্টিকারীদের থেকে আল্লাহ তা’আলা সকলকে হেফাজত করেন । (আমীন)

সতর্কীকরণঃ জান্নাতে এক সময় যাবোই এটা ভেবে আমল না করে গুনাহে ডুবে থাকার কোনো সুযোগ নেই । কারণ গুনাহে ডুবে থাকলে আপনি যে ইমামসহ মরতে পারবেন তার কোন গ্যারান্টি নেই ।
কাজেই সর্বাবস্থায় গুনাহ থেকে দূরে থেকে বেশি বেশি নেক আমল করার চেষ্টা করতে হবে । জান্নাতের আশা ও আযাবের ভয় উভয়টি একসাথে অন্তরে রাখতে হবে, এতে গুনাহ থেকে বিরত থেকে নেক আমল করা সহজ হবে । আল্লাহ তা’আলা তাওফিক দান করেন । (আমিন)

উত্তর লিখনে
মুহাঃ ইসমাঈল হুসাইন
দারুল ইফতা ওয়াল বুহুসিল ইসলামিয়া ধামরাই, ঢাকা ।

           তাসহিহ ও সত্যায়ন

মুফতি নজরুল ইসলাম হাফিজাহুল্লাহ
প্রধান মুফতিঃ জামিয়া সাহবানিয়া ঢাকা ও দারুল ইফতা ওয়াল বুহুসিল ইসলামিয়া ধামরাই, ঢাকা ।

About الفقه الحنفي الفقه الاكبر

বিদগ্ধ মুফতিয়ানে কেরামের দ্বারা পরিচালিত , সকল বাতিলের মুখোশ উন্মোচনে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ , উলামায়ে আহনাফ এবং হানাফি মাজহাবের অনুসারীদের সরবাধুনিক মুখপাত্র ফিকহে হানাফী দ্যা গ্রেট ডটকম। আমাদের কারয্যক্রমঃ- ক) ফিকহে হানাফী দ্যা গ্রেট ডটকম । খ) ফিকহে হানাফী দ্যা গ্রেট অনলাইন রিচার্স সেন্টার । গ) বাতিলের মোকাবেলায় সারা দুনিয়া ব্যাপি ইসলামিক সেমিনার ঘ) এবং মুনাজারায় অংশগ্রহণ । ঙ) হোয়াটএ্যাপ্স, টেলিগ্রাম, ভাইবার & সোমা চ্যাট ম্যাসেঞ্জারে ফিকহে হানাফীঃপ্রশ্ন-উত্তর গ্রুপ। আমাদের ভবিষ্যত পরিকল্পনাঃ- ক) ফিকহে হানাফী দ্যা গ্রেট অফলাইন রিচার্স সেন্টার । খ) ফিকহে হানাফী দ্যা গ্রেট ইউনিভার্সিটি । গ) হানাফী টিভি সহ আরও বহুমুখি প্রকল্প। আমাদের আবেদনঃ- এই বহুমুখি এবং বিশাল প্রকল্প-এর ব্যয়ভার কারও একার পক্ষে বহন করা খুবই দুঃসাধ্য ব্যপার। সুতারাং আপনি নিজে ও আপনার হিতাকাংখি দ্বীনের খেদমতে আগ্রহী বন্ধুদের নিয়ে মাসিক/বাতসরিক ও এককালীন সদস্য হিসেবে সহযোগিতার হাত প্রশস্ত করে এগিয়ে আসবেন ; এটাই আমাদের প্রত্যাশা। সাহায্য পাঠাবার ঠিকানাঃ- ১) সোনালী ব্যাংক লিমিটেড, বয়রা শাখা, খুলনা Account Name: Md. Hedaytullah Account No: 2704501011569 ২) বিকাশঃ- +৮৮০১৯২৩৮৭১২৯৩ ৩) এমক্যাশঃ- +৮৮০১৯২৩৮৭১২৯৩৬ ৪) ডি,বি,বি,এল/রকেটঃ- +৮৮০১৯২৩৮৭১২৯৩৮ Express Money Transfer:- Name Hedaytullah ID NO 6512895339162 সার্বিক যোগাযোগঃ- মুফতি মুফাসসির হিদায়াতুল্লাহ শেখ মোবাঃ- +৮৮০১৯২৩৮৭১২৯৩ fiqhehanafithegreat@gmail.com