সুন্নাতে রাসুল সাঃ সাহাবায়ে কেরাম রাঃ-র অামলের অালোকে অাজান ও ইকামাতের সঠিক পদ্ধতি

সম্মানিত মুসলিম ভাইয়েরা!
আপনারা এটা জানেন যে, আমাদের দেশ থেকে কিছু অশিক্ষিত/স্বল্প শিক্ষিত মানুষ জীবিকা নির্বাহের তাকিদে বিভিন্ন আরব দেশগুলিতে যেয়ে থাকে।
আর সেখান থেকে ফিরে এসেই এলাকার মাসজীদের ইমাম ও আলেম উলামাদের ভূল ধরা শুরু করে।
কিন্তু তারা এই আরব রাষ্ট্র গুলি থেকে শুধুমাত্র কি আমলের ভিন্নতাই দেখে আসে?
তারা কি এটা দেখেনা যে, আরব রাস্ট্রগুলিতে ইমাম/আলেমদের কিরূপ সম্মান করা হয়?
আরব রাস্ট্র গুলির রাজা/বাদশাহরাও একজন আলেম/ইমামের সম্মানে কিভাবে নিজের আসন ছেড়ে দিয়ে উঠে দাঁড়ায়?
আলেম উলামা/ইমামদের সম্মানের এই চরিত্র কি তারা আরব দেশগুলি থেকে নিয়ে আসতে পারেনা?
যাইহোক আসল কথায় আসিঃ সর্বপ্রথম এটা বলে রাখি যে, আমি আরবের আমলের যে ভিন্নতা আমাদের সাথে আছে সেটাকে ভূল বলছিনা। আর এই ভিন্নতা মাজহাবের ভিন্নতার কারণে।
আর তেমনই একটি আমলের ভিন্নতা হলো আজান ও ইকামাতের বাক্যগুলির সংখ্যা নিয়ে।
এখানে সহীহ হাদীস ও সাহাবায়ে কেরামের আমলের আলোকে আমাদের দেশের প্রচলিত আজান ও ইকামাতের পদ্ধতি সঠিক কি না ; এই বিষয়ে সামান্য আলোকপাত করবো ইনশাআল্লাহ।

আজানের পদ্ধতিঃ

حَدَّثَنَا أَبُو عُبَيْدٍ، مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدِ بْنِ مَيْمُونٍ الْمَدَنِيُّ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَلَمَةَ الْحَرَّانِيُّ،حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ التَّيْمِيُّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ زَيْدٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَدْ هَمَّ بِالْبُوقِ وَأَمَرَ بِالنَّاقُوسِ فَنُحِتَ فَأُرِيَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ زَيْدٍ فِي الْمَنَامِ قَالَ رَأَيْتُ رَجُلاً عَلَيْهِ ثَوْبَانِ أَخْضَرَانِ يَحْمِلُ نَاقُوسًا فَقُلْتُ لَهُ يَا عَبْدَ اللَّهِ تَبِيعُ النَّاقُوسَ قَالَ وَمَا تَصْنَعُ بِهِ قُلْتُ أُنَادِي بِهِ إِلَى الصَّلاَةِ ‏.‏ قَالَ أَفَلاَ أَدُلُّكَ عَلَى خَيْرٍ مِنْ ذَلِكَ قُلْتُ وَمَا هُوَ قَالَ تَقُولُ اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ حَىَّ عَلَى الصَّلاَةِ حَىَّ عَلَى الصَّلاَةِ حَىَّ عَلَى الْفَلاَحِ حَىَّ عَلَى الْفَلاَحِ ‏.‏ اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ ‏.‏ قَالَ فَخَرَجَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ زَيْدٍ حَتَّى أَتَى رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَأَخْبَرَهُ بِمَا رَأَى ‏.‏ قَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ رَأَيْتُ رَجُلاً عَلَيْهِ ثَوْبَانِ أَخْضَرَانِ يَحْمِلُ نَاقُوسًا ‏.‏ فَقَصَّ عَلَيْهِ الْخَبَرَ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ إِنَّ صَاحِبَكُمْ قَدْ رَأَى رُؤْيَا فَاخْرُجْ مَعَ بِلاَلٍ إِلَى الْمَسْجِدِ فَأَلْقِهَا عَلَيْهِ وَلْيُنَادِ بِلاَلٌ فَإِنَّهُ أَنْدَى صَوْتًا مِنْكَ (رَوَاه إبْنُ مَاجَه فِىْ بَابِ بَدْءِ الْأَذَانِ)

হযরত আব্দুল্লাহ বিন যায়েদ রা. থেকে
বর্ণিত, রসূলুল্লাহ স.
(নামাযের জন্য মানুষদেরকে ডাকার
উদ্দেশ্যে) শিঙ্গাধ্বনি করার চিন্তা
করলেন এবং ঢোলের ব্যাপারে নির্দেশ
দিলেন। ফলে তা প্রস্তুত করা হলো। অতঃপর আব্দুল্লাহ বিন যায়েদকে
স্বপ্নে দেখানো হলো।তিনি বলেন: আমি সবুজ চাদর
পরিহিত এক ব্যক্তিকে শিঙ্গা বহন
করে নিয়ে যেতে দেখলাম। আমি তাকে বললাম: হে আল্লাহর
বান্দা! শিঙ্গা বিক্রয় করবে? সে বললো: তুমি এটা
দিয়ে কী করবে? আমি বললাম: এটা
দিয়ে নামাযের জন্য ডাকব। সে বললো: আমি কি তোমাকে এরচেয়েও উত্তম জিনিসের সন্ধান
দিব না? আমি বললাম: তা কী? তিনি
বললেন: এ কথা বলবে:
اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ’ُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ أَشْهَدُ أَنْ لَا إلَهَ إلَّا اللَّهُ أَشْهَدُ أَنْ لَا إلَهَ إلَّا اللَّهُ أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ حَيَّ عَلَى الصَّلَاةِ حَيَّ عَلَى الصَّلَاةِ حَيَّ عَلَى الْفَلَاحِ حَيَّ عَلَى الْفَلَاحِ اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ لَا إلَهَ إلَّا اللَّهُ
বর্ণনাকারী বলেন: আব্দুল্লাহ বিন  যায়েদ রা. বের হয়ে রসূলুল্লাহ স. -এর নিকটে আসলেন এবং যা
দেখেছেন তা এভাবে বর্ণনা করলেন যে, ইয়া রসূলাল্লাহ! আমি
সবুজ চাদর পরিহিত এক ব্যক্তিকে শিঙ্গা বহন করে নিয়ে যেতে দেখলাম।
এ কথা বলে তিনি পূর্ণ ঘটনাশুনালেন। অতঃপর রসূলুল্লাহ স. বললেন:
তোমাদের সাথী স্বপ্ন দেখেছে।এরপর রসূলুল্লাহ তাঁকে বললেন: তুমি
বিলালের সাথে মসজিদে যাও এবং এগুলো তার কাছে বল।
আর বিলাল আজান দিক, সে তোমার চেয়ে বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বরের অধিকারী। (ইবনে মাজাহ: ৭০৬, ত্বহাবী: ৭৪৭, পৃষ্ঠা: ১/৯৯)

হাদীসটির স্তর : সহীহ।
এ হাদীসের রাবীগণ সবাই-ই বুখারী/মুসলিমের রাবী। আর মুহাম্মাদ বিন ইসহাক যদিও
মুদাল্লিস রাবী কিন্তু এ হাদীসে তিনি স্পষ্টভাবে বলেছেন যে,
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ
“আমাকে হাদীসবর্ণনা করেছেন
মুহাম্মাদ বিন ইবরাহীম”। সুতরাং এ হাদীসে তাঁর বর্ণনা গ্রহণযোগ্য।
এ ছাড়া ত্বহাবী শরীফের সনদে ইবনে মারযুক ব্যতীত সব রাবী বুখারী-মুসলিমের।
আর ইবনে মারযুক ثقة “নির্ভরযোগ্য”।
(তাকরীব: ২৭৬) ইমাম বাইহাকী, ইবনে খুযাইমা এবং ইমাম তিরমিজী
রহ. এ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (নাসবুর রায়াহ: আজান  অধ্যায়)
মুসনাদে আহমাদের তাহকীকে শায়খ শুআইব আরনাউত হাদীসটিকে হাসান বলেছেন। (মুসনাদে আহমাদ: ১৬৪৭৭, ১৬৪৭৮) শায়খ আলবানী ইবনে মাজাহ’র সনদে হাদীসটি
হাসান বলেছেন। (সহীহ-জঈফ ইবনে মাজাহ: ৭০৬)

সারসংক্ষেপ : উপরোক্ত হাদীসের ভিত্তিতে আমরা আমাদের আমলে প্রচলিত আজান ও ইকামাতের পদ্ধতি গ্রহণ করেছি। আমাদের গৃহীত
পদ্ধতিতে আজানের শুরুতে اللَّهُ أَكْبَرُ
চারবার বলতে হয়। কোন কোন ইমাম অন্য হাদীসের ভিত্তিতে আজানের শুরুতে দুইবার اللَّهُ أَكْبَرُ বলেথাকেন। আবার আমাদের গৃহীত পদ্ধতিতে
আজানের মধ্যে কোন তারজী’ নেই।
তারজী’ হলো: উভয় শাহাদাত দু’বার করে নীচু আওয়াজে বলে পুনরায় দুইবার উঁচু আওয়াজে বলা।
এর বিপরীতে  কোন কোন ইমাম হযরত আবু মাহজুরা রা. থেকে বর্ণিত হাদীসের ভিত্তিতে আজানের মধ্যে তারজী’ করে থাকেন।
কিন্তু আমাদের গৃহীত পদ্ধতিই উত্তম। কারণ, উপরোল্লিখিত হাদীস দ্বারা আজানের সূচনা হয়েছে।
আর এতে যেমন তারজী’ নেই, তেমন আজানের শুরুতে اللَّهُ أَكْبَرُ দু’বারও বর্ণিত নেই।
এব্যাপারে ইবনুল জাওঝী  ‘আত তাহকীক ফী আহাদীসিল খিলাফ’ কিতাবেবর্ণনা করেন যে,

وَهَذَا الحَدِيث أصل التأذين و لَيْسَ فِيهِ تَرْجِيع فَدلَّ عَلَى أَنه الْمُسْتَحبّ و عَلَيْهِ عمل أهل الْمَدِينَة وَالْأَخْذ بالمتأخر من حَال رَسُول الله صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم

“এ হাদীসটি আজানের মূল।
আর এখানে তারজী’ নেই।
এটা প্রমাণ করে যে, তারজী’ না করা মুস্তাহাব।
আর এটা মদীনাবাসীদের আমল এবংএটাকেই রসূলুল্লাহ স.-
এর শেষ আমল হিসেবে গ্রহণ করা হয়”। (আততাহকীক: ৩৫৮ নম্বর হাদীসের  আলোচনায়)

ইকামাতের পদ্ধতিঃ

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرَةَ وَعَلِيُّ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ قَالَا : حَدَّثَنَا عَفَّانَ قَالَ : ثنا هَمَّامٌ قَالَ : حَدَّثَنِي عَامِرٌ الْأَحْوَلُ قَالَ : حَدَّثَنِي مَكْحُولٌ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ مُحَيْرِيزٍ حَدَّثَهُ أَنَّ  أَبَا مَحْذُورَةَ حَدَّثَهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَّمَهُ الْإِقَامَةَ سَبْعَ عَشْرَةَ كَلِمَةً ، ثُمَّ ذَكَرَ مِثْلَ حَدِيثِ رَوْحٍ سَوَاءً أَشْهَدُ أَنْ لَا إلَهَ إلَّا اللَّهُ ، أَشْهَدُ أَنْ لَا إلَهَ إلَّا اللَّهُ ، أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ ، أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ ، حَيَّ عَلَى الصَّلَاةِ حَيَّ عَلَى الصَّلَاةِ ، حَيَّ عَلَى الْفَلَاحِ ، حَيَّ عَلَى الْفَلَاحِ ، قَدْ قَامَتْ الصَّلَاةُ ، قَدْ قَامَتْ الصَّلَاةُ ، اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ لَا إلَهَ إلَّا اللَّهُ

হযরত আবু মাহজুরা রা. বলেন: রসূলুল্লাহ স. আমাকে সতেরো শব্দে ইকামাত শিক্ষা দিয়েছেন
اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَر
ُঅবশিষ্ট শব্দগুলো রওহ’-এর বর্ণিত (৭৬৪ নম্বর) হাদীসের অনুরূপ যা এই:

أَشْهَدُ أَشْهَدُ أَنْ لَا إلَهَ إلَّا اللَّهُ أَشْهَدُ أَنْ لَا إلَهَ إلَّا اللَّهُ، أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ ، أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ ، حَيَّ عَلَى الصَّلَاةِ حَيَّ عَلَى الصَّلَاةِ ، حَيَّ عَلَى الْفَلَاحِ ، حَيَّ عَلَى الْفَلَاحِ ، قَدْ قَامَتْ الصَّلَاةُ ، قَدْ قَامَتْ الصَّلَاةُ ، اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ لَا إلَهَ إلَّا اللَّهُ
(ত্বহাবী: ৭৬৫, পৃষ্ঠা: ১/১০২)

হাদীসটির স্তর : সহীহ। ইমাম ত্বহাবীর দুই উসতাদ আবু বাকরাহ ও আলী বিন আব্দুর রহমান ব্যতীত এ  হাদীসের রাবীগণ সবাই-ই বুখারী-
মুসলিমের রাবী। আর আবু বাকরাহ ثقةٌ “নির্ভরযোগ্য”। (আছ ছিকাত মিম্মাল লাম ইয়াকা’ ফিল কুতুবিস  সিত্তাহ: রাবী নম্বর- ২০৫৫)
আল্লামা জাহাবী তাঁকে ‘আল্লামাতুল মুহাদ্দিস’ বলে প্রশংসা করেছেন।
(সিয়ারু আলামিন নুবালা: তবকা- ১৪, রাবী নম্বর- ২২৯)
আর আলী বিন আব্দুর রহমানকে ইমাম জাহাবী উঁচু মরতবার
শব্দ (হাফেজ, মুতকিন এবং নাবিল) দ্বারা প্রশংসা করেছেন। (সিয়ারু আলামিন নুবালা: তবকা- ১৫, রাবী নম্বর- ৭১)
হাফেজ ইবনে হাজার তাঁকে صدوق
“সত্যনিষ্ঠ” বলেছেন। (তাকরীব: ৫৩৪৭)
ইমাম তিরমিজী রহ. হাদীসটিকে সংক্ষিপ্ত আকারে বর্ণনা করে এটাকে সহীহ বলেছেন। (তিরমিজী: ১৯২)
শায়খ শুআইব আরনাউত মুসনাদে আহমাদের তাহকীকে বলেন:
صحيح بطرقه
“বিভিন্ন সনদের ভিত্তিতে হাদীসটি সহীহ”। (মুসনাদে আহমাদ: ২৭২৫২)
শায়খ আলবানীও তিরমিজীর হাদীসটি কে হাসান-সহীহ বলেছেন। (সহীহ-জঈফ তিরমিজী: ১৯২)
এ ছাড়া নাসাঈ শরীফে হযরত আবু মাহজুরা রা. থেকে সহীহ সনদে  ইকামাতের অনুরূপ পদ্ধতি বর্ণিত হয়েছে। (নাসাঈ: ৬৩১)
শাব্দিক কিছু তারতম্যসহ এ হাদীসটি  মুসলিম, আবু দাউদ, ইবনে মাজাহ এবং তিরমিজী শরীফেও বর্ণিত আছে। (জামিউল উসূল: ৩৩৫৮)

أَخْبَرَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْحَسَنِ قَالَ: حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ السَّائِبِ قَالَ: أَخْبَرَنِي أَبِي وَأُمُّ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ أَبِي مَحْذُورَةَ، عَنْ أَبِي مَحْذُورَةَ قَالَ: لَمَّا خَرَجَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ حُنَيْنٍ خَرَجْتُ عَاشِرَ عَشْرَةٍ مِنْ أَهْلِ مَكَّةَ نَطْلُبُهُمْ، فَسَمِعْنَاهُمْ يُؤَذِّنُونَ بِالصَّلَاةِ فَقُمْنَا نُؤَذِّنُ نَسْتَهْزِئُ بِهِمْ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «قَدْ سَمِعْتُ فِي هَؤُلَاءِ تَأْذِينَ إِنْسَانٍ حَسَنِ الصَّوْتِ». فَأَرْسَلَ إِلَيْنَا، فَأَذَّنَّا رَجُلٌ رَجُلٌ وَكُنْتُ آخِرَهُمْ، فَقَالَ حِينَ أَذَّنْتُ: «تَعَالَ». فَأَجْلَسَنِي بَيْنَ يَدَيْهِ، فَمَسَحَ عَلَى نَاصِيَتِي وَبَرَّكَ عَلَيَّ ثَلَاثَ مَرَّاتٍ، ثُمَّ قَالَ: «اذْهَبْ فَأَذِّنْ عِنْدَ الْبَيْتِ الْحَرَامِ». قُلْتُ كَيْفَ يَا رَسُولَ اللَّهِ؟ فَعَلَّمَنِي كَمَا تُؤَذِّنُونَ الْآنَ بِهَا: «اللَّهُ أَكْبَرُ. اللَّهُ أَكْبَرُ. اللَّهُ أَكْبَرُ. اللَّهُ أَكْبَرُ. أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ. أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ. أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ، أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ. أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ. أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ. أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ. حَيَّ عَلَى الصَّلَاةِ، حَيَّ عَلَى الصَّلَاةِ. حَيَّ عَلَى الْفَلَاحِ. حَيَّ عَلَى الْفَلَاحِ. الصَّلَاةُ خَيْرٌ مِنَ النَّوْمِ فِي الْأُولَى مِنَ الصُّبْحِ». قَالَ: وَعَلَّمَنِي الْإِقَامَةَ مَرَّتَيْنِ: «اللَّهُ أَكْبَرُ. اللَّهُ أَكْبَرُ. اللَّهُ أَكْبَرُ. اللَّهُ أَكْبَرُ، أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ، أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ، حَيَّ عَلَى الصَّلَاةِ، حَيَّ عَلَى الصَّلَاةِ، حَيَّ عَلَى الْفَلَاحِ، حَيَّ عَلَى الْفَلَاحِ، قَدْ قَامَتِ الصَّلَاةُ، قَدْ قَامَتِ الصَّلَاةُ، اللَّهُ أَكْبَرُ. اللَّهُ أَكْبَرُ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ» قَالَ ابْنُ جُرَيْجٍ، أَخْبَرَنِي عُثْمَانُ هَذَا الْخَبَرَ كُلَّهُ، عَنْ أَبِيهِ، وَعَنْ أُمِّ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ أَبِي مَحْذُورَةَ أَنَّهُمَا سَمِعَا ذَلِكَ مِنْ أَبِي مَحْذُورَةَ (رَوَاه النَّسَائِىْ فِىْ بَابِ الْأَذَانُ فِي السَّفَرِ)

হযরত আবু মাহজুরা রা. বলেন:  রসূলুল্লাহ স. যখন হুনাইন থেকে বের হলেন তখন মক্কার
দশ ব্যক্তিসহ আমি রসূলুল্লাহ স.কে খুঁজতে বের হলাম। অতঃপর আমরা মুসলমানদেরকে নামাযের আজান  দিতে শুনে তাদের  সাথে ঠাট্টা করার জন্য আজান দিতে দাঁড়ালাম।তারপর রসূলুল্লাহ স. ইরশাদ করলেন:  আমি এদের মধ্যে সুন্দর আওয়াজের এক ব্যক্তির আজান শুনেছি। অতঃপর তিনি আমাদেরকে ডেকে পাঠালেন। আমরা একে একে আজান দিলাম আর আমি ছিলাম সবার শেষে। আমি আজান দেয়ার পরে তিনি বললেন: এদিকে এসো।অতঃপর আমাকে তাঁর সামনে বসালেন  এবং আমার মাথার অগ্রভাগ মুছে দিয়ে তিনবার বরকতের দুআ দিলেন।  এরপর আমাকে বললেন:
মসজিদুল হারামে  গিয়ে আজান দাও। আমি আরয করলাম: ইয়া রসূলাল্লাহ! কীভাবে আজান দিব?
তিনি আমাকে আজান শিক্ষা দিলেন যেভাবে তোমরা এখন আজান দিয়ে থাকো। অর্থাৎ,
اللَّهُ أَكْبَرُ. اللَّهُ أَكْبَرُ. اللَّهُ أَكْبَرُ. اللَّهُ أَكْبَرُ. أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ. أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ. أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ، أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ. أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ. أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ. أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ. حَيَّ عَلَى الصَّلَاةِ، حَيَّ عَلَى الصَّلَاةِ. حَيَّ عَلَى الْفَلَاحِ. حَيَّ عَلَى الْفَلَاحِ.»
আর ফজরের আজানে
الصَّلَاةُ خَيْرٌ مِنَ النَّوْمِ
বলবে। হযরত আবু মাহজুরা রা. বলেনঃ  রসূলুল্লাহ স. আমাকে ইকামাতের  শব্দগুলো দু’বার করে বলার শিক্ষা দিলেন। অর্থাৎ,
اللَّهُ أَكْبَرُ. اللَّهُ أَكْبَرُ. اللَّهُ أَكْبَرُ. اللَّهُ أَكْبَرُ. أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ ، أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ، أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ، حَيَّ عَلَى الصَّلَاةِ، حَيَّ عَلَى الصَّلَاةِ، حَيَّ عَلَى الْفَلَاحِ، حَيَّ عَلَى الْفَلَاحِ، قَدْ قَامَتِ الصَّلَاةُ، قَدْ قَامَتِ الصَّلَاةُ، اللَّهُ أَكْبَرُ. اللَّهُ أَكْبَرُ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ»
হযরত ইবনে জুরাইজ বলেন: হযরত উসমান বিন সায়েব আমাকে পূর্ণ হাদীসটি তাঁর পিতা সায়েব এবং উম্মে আব্দিল মালিকের শ্রবণের মাধ্যমে হযরত আবু মাহজুরা রা. থেকে বর্ণনা করেন। (নাসাঈ: ৬৩৪)

হাদীসটির স্তর : সহীহ লিগইরিহী। ইবরাহীম ইবনুল হাসান ثقة ثبت “নির্ভরযোগ্য, দৃঢ়”। (আল কাশেফ: ১২৯)
উসমান বিন সায়েবকে ثقةٌ“নির্ভরযোগ্য” বলা হয়েছে। (আল কাশেফ: ৩৬৯৮)
উম্মে আব্দিল মালিক مقبولة “গ্রহণযোগ্য”। (তাকরীব: ১১৮৩৪)
সায়েব مقبول “গ্রহণযোগ্য”। (তাকরীব: ২৪২৮)
শেষোক্ত দু’জন রাবী সাধারণ মানের হলেও হযরত আবু মাহজুরা রা. থেকে যৌথভাবে বর্ণনা করায় হাদীসটি সহীহ-এর স্তরে পৌঁছে গেছে।
অবশিষ্ট রাবীগণ বুখারী-মুসলিমের।  মুসনাদে আহমাদের তাহকীকে শায়খ শুআইব আরনাউত বলেন:
حديث صحيح بطرقه
“বিভিন্নসনদের পারস্পারিক সমর্থনের কারণে হাদীসটি সহীহ”। (মুসনাদেআহমাদ: ১৫৩৭৬ নম্বর  হাদীসের আলোচনায়)
শায়খ আলবানীও হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ-জঈফ নাসাঈ: ৬৩৩)
শাব্দিক কিছু তারতম্যসহ এ হাদীসটি মুসলিম, আবু দাউদ, ইবনে মাজাহ এবং তিরমিজী শরীফেও বর্ণিত আছে। (জামিউল উসূল: ৩৩৫৮)

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ قَالَ حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى قَالَ : حَدَّثَنَا أَصْحَابُ مُحَمَد صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ؛ أَنَّ عَبْدَ اللهِ بْنَ زَيْدٍ الأَنْصَارِيَّ جَاءَ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ , فَقَالَ : يَا رَسُولَ اللهِ ، رَأَيْتُ فِي الْمَنَامِ كَأَنَّ رَجُلاً قَامَ وَعَلَيْهِ بُرْدَانِ أَخْضَرَانِ عَلَى جِذْمَةِ حَائِطٍ ، فَأَذَّنَ مَثْنَى ، وَأَقَامَ مَثْنَى ، وَقَعَدَ قَعْدَةً ، قَالَ : فَسَمِعَ ذَلِكَ بِلاَلٌ ، فَقَامَ فَأَذَّنَ مَثْنَى ، وَأَقَامَ مَثْنَى ، وَقَعَدَ قَعْدَةً.

হযরত আব্দুর রহমান বিন আবী লাইলা  বলেন: মুহাম্মাদ স.- এর সাহাবাগণ আমার নিকটে হাদীস  বর্ণনা করেছেন যে, আব্দুল্লাহ বিন  যায়েদ আল আনসারী রা. আজান  স্বপ্নে দেখে রসূলুল্লাহ স.- এর নিকটে এসে তাঁকে সংবাদ দিলেন। অত:পর রসূলুাহ স. তাকে বললেন: তুমি বিলালকে তা শিখিয়ে  দাও। অতঃপর হযরত বিলাল রা. আজান ও  ইকামাতের শব্দগুলো দু-দু’বার উচ্চারণ করলেন এবং আজানও  ইকামাতের মাঝে একটু বসলেন। (ইবনে আবী শাইবা: ২১৩১, পৃষ্ঠা: ২/৩১১)

হাদীসটির স্তর : সহীহ।  এ হাদীসের রাবীগণ সবাই-ই বুখারী-মুসলিমের প্রসিদ্ধ ثقةٌ “নির্ভরযোগ্য” রাবী এবং  হাদীসের ইমাম। তবে ইবনে আবী লাইলা হযরত আব্দুল্লাহ বিন যায়েদ থেকে শোনেননি। অবশ্য এ কারণে হাদীসের বিশুদ্ধতার ওপর কোন প্রভাব পড়বে না। কারণ, আজানের সূচনা সম্পর্কিত এ হাদীসটি ইবনে আবী লাইলা সাহাবায়ে কিরামের মাধ্যমে হযরত আব্দুল্লাহ বিন যায়েদ থেকে শুনেছেন। এর প্রমাণ রয়েছে ইবনে আবী শাইবা: ২১৩৭,
ইবনে খুযাইমা: ৩৭৯,
ত্বহাবী: ৮১১
এবং সুনানুলকুবরা লিলবাইহাকী: ১৯৭৫ নম্বর হাদীসে।
এ কারণে ইবনে হাযাম এবং ইবনে দাকীকুল ঈদ রহ. এ হাদীসকে সহীহ বলেছেন। (তালখীছুলহাবির: ২৯৮ নম্বর হাদীসের আলোচনায়)

উপরন্তু, ইবনে আবী লাইলা জন্ম গ্রহণ  করেন হযরত উমার রা.-এর মৃত্যুর ৮ বছর পূর্বে। আর আব্দুল্লাহ বিন যায়েদ রা. মৃত্যু বরণ করেন ৩২হিজরীতে হযরত  উসমান রা.-এর খিলাফাত কালে। এ হিসেব মতে আব্দুল্লাহ বিন যায়েদ রা.-এর মৃত্যুর সময়ে ইবনে আবী লাইলার বয়স কমপক্ষে ১৭ বছর ছিলো যা ইমাম মুসলিমের শর্ত মোতাবেক মুত্তাসিল সনদের জন্য যথেষ্ট।

এছাড়াও ইকামাতের শব্দগুলো জোড়ায় জোড়ায় বলার মত পোষণ  করেন সাহাবা ও তাবিঈদের অনেকে।
তন্মেধ্যে কয়েকজনের নাম কিতাবের উদ্বৃতিসহ নিম্নে পেশ করছি:

হযরত বিলাল রা.-মুসান্নাফে আব্দুর রযযাক: ১৭৬১,
হযরত আলী রা.-মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা: ২১৪৯,
হযরত সালামাহ বিন আকওয়ারা.-মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা: ২১৫০,
হযরত আবুল আলিয়া-মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা: ২১৫২,
ইবরাহীম নাখঈ-মুসান্নাফে ইবনেআবী শাইবা: ২১৫৩
এবং হযরত আলী ও ইবনে মাসউদ রা.-এর ছাত্রগণ-মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা: ২১৫৪।

অতএব, ইকামাতের উক্ত পদ্ধতি  বিশুদ্ধ সনদে বর্ণিত হওয়ার সাথে সাথে উম্মাতের মধ্যে ব্যাপক প্রচলিত হওয়ায় আমরা তা অনুসরণ করে থাকি।

সারসংক্ষেপ : উপরোক্ত হাদীসগুলো  দ্বারা ইকামাতের সেই পদ্ধতিই প্রমাণিত হয় যে পদ্ধতিতে আমরা  ইকামাত দিয়ে থাকি। অর্থাৎ,
اللَّهُ أَكْبَرُ৪বার,
أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ ২বার,
أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ ২বার,
حَيَّ عَلَى الصَّلَاةِ ২বার,
حَيَّ عَلَى الْفَلَاحِ ২বার,
قَدْ قَامَتِ الصَّلَاةُ ২বার,
اللَّهُ أَكْبَرُ২বার,
لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ ১বার।

Copright By: মুফতি মুফাসসির হিদায়াতুল্লাহ্ শেখ

About الفقه الحنفي الفقه الاكبر

বিদগ্ধ মুফতিয়ানে কেরামের দ্বারা পরিচালিত , সকল বাতিলের মুখোশ উন্মোচনে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ , উলামায়ে আহনাফ এবং হানাফি মাজহাবের অনুসারীদের সরবাধুনিক মুখপাত্র ফিকহে হানাফী দ্যা গ্রেট ডটকম। আমাদের কারয্যক্রমঃ- ক) ফিকহে হানাফী দ্যা গ্রেট ডটকম । খ) ফিকহে হানাফী দ্যা গ্রেট অনলাইন রিচার্স সেন্টার । গ) বাতিলের মোকাবেলায় সারা দুনিয়া ব্যাপি ইসলামিক সেমিনার ঘ) এবং মুনাজারায় অংশগ্রহণ । ঙ) হোয়াটএ্যাপ্স, টেলিগ্রাম, ভাইবার & সোমা চ্যাট ম্যাসেঞ্জারে ফিকহে হানাফীঃপ্রশ্ন-উত্তর গ্রুপ। আমাদের ভবিষ্যত পরিকল্পনাঃ- ক) ফিকহে হানাফী দ্যা গ্রেট অফলাইন রিচার্স সেন্টার । খ) ফিকহে হানাফী দ্যা গ্রেট ইউনিভার্সিটি । গ) হানাফী টিভি সহ আরও বহুমুখি প্রকল্প। আমাদের আবেদনঃ- এই বহুমুখি এবং বিশাল প্রকল্প-এর ব্যয়ভার কারও একার পক্ষে বহন করা খুবই দুঃসাধ্য ব্যপার। সুতারাং আপনি নিজে ও আপনার হিতাকাংখি দ্বীনের খেদমতে আগ্রহী বন্ধুদের নিয়ে মাসিক/বাতসরিক ও এককালীন সদস্য হিসেবে সহযোগিতার হাত প্রশস্ত করে এগিয়ে আসবেন ; এটাই আমাদের প্রত্যাশা। সাহায্য পাঠাবার ঠিকানাঃ- ১) সোনালী ব্যাংক লিমিটেড, বয়রা শাখা, খুলনা Account Name: Md. Hedaytullah Account No: 2704501011569 ২) বিকাশঃ- +৮৮০১৯২৩৮৭১২৯৩ ৩) এমক্যাশঃ- +৮৮০১৯২৩৮৭১২৯৩৬ ৪) ডি,বি,বি,এল/রকেটঃ- +৮৮০১৯২৩৮৭১২৯৩৮ Express Money Transfer:- Name Hedaytullah ID NO 6512895339162 সার্বিক যোগাযোগঃ- মুফতি মুফাসসির হিদায়াতুল্লাহ শেখ মোবাঃ- +৮৮০১৯২৩৮৭১২৯৩ fiqhehanafithegreat@gmail.com